ফরিপুরে নিখোঁজ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার: স্বামীসহ গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব সংবাদ দাতা : ফরিদপুরের সালথায় নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর পাটক্ষেত থেকে লিপি বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। লিপি বেগম উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের সিংহপ্রতাপ গ্রামের শাহজাহান মাতুব্বরের স্ত্রী। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বামীর সাথে ঝগড়া করে গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় লিপি বেগম। এরপর আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। সোমবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েক জন শ্রমিক পাটক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে লিপির লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।সালথা থানা’র উপপরিদর্শক এসআই ওয়াহিদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে নিহত লিপি বেগমের নিজ বাড়ির সামনে একটি পাটক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরিরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চি‎হ্ন রয়েছে। তদন্ত করে বলা যাবে কারা এ হত্যার সাথে জড়িত। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী শাহজাহান মাতুব্বর (৫০), চাচাতো ভাই জাহিদ মাতুব্বর (২৫) ও হাফেজ মাতুব্বরকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহতের ভাই তানজিৎ আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিত ভাবে আমার বোনকে হত্যা করেছে তার স্বামীর বাড়ির লোকজন। নিহতের স্বামী শাহজাহান মাতুব্বর বলেন, গাছ কাটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সাথে প্রতিবশীদের বিরোধ চলে আসছিলো। এই বিরোধের জের ধরেই আমার স্ত্রীকে হত্যা করা হতে পারে। নিহত লিপির ২টি মেয়ে ও ১টি ছেলে রয়েছে।

                                                ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা প্রশাসনে জ্বিনের আছর !
নিজস্ব সংবাদ দাতা ঃ ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা পরিষদের সামনে দৃষ্টি নন্দন তোরণ (গেট) নির্মাণ করা নিয়ে জনমনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নি¤œমানের নির্মাণ সামগ্রী ও নির্মাণ ত্রুটির মধ্য দিয়ে দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। কর্মরত নির্মাণ শ্রমিকদের নিকট থেকে জানা যায়, টাঙ্গাইলের জনৈক বাচ্চু মিস্ত্রির অধীনে বতর্মান কাজটি চলছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, রাজস্ব তহবিলের আওতায় উপজেলা পরিষদে তোরণসহ অন্যান্য নির্মানের কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠান হয়েছিল। তবে সেটি পাশ হয়েছে কি না আমার জানা নেই। তিনি আরো বলেন, আমার দপ্তর থেকে কোনো নকশা, প্লান, প্রাক্কলন, টেন্ডার অথবা কোটেশান আহবান করা হয়নি। প্রকল্পটির জন্য ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। তবে কী ভাবে কে এই কাজটি করছেন তা আমার জানান নেই।
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান মোল্যা জানান, উল্লেখিত তোরণ নির্মাণ সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই। তবে একটি তোরণ নির্মাণ কাজ চলছে সেটি আমি দেখতে পাচ্ছি। তিনি সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই কাজটি বাস্তবায়ন করছেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, প্রকল্পটির ডিজাইন, প্লান ও প্রাক্কলনের সকল তথ্য উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট পাওয়া যাবে। নির্মাণ কাজটি আরএসকিউ (স্পট কোটেশান) পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হচ্ছে। তবে তিনি নিজেই কাজটি তদারকি করছেন বলে জানান। আরো জানান, কাজটি উপজেলা চেয়ারম্যান বা তার ভাইদের দিয়ে করানো হতে পারে। অসংলগ্নভাবে তিনি বলেন, জনৈক নজরুল মিস্ত্রি তোরণ নির্মানের কাজ করছেন। এদিকে মধুখালী উপজেলার পরিষদের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তাদের এ ধরনের সমন্বয়হীন কথাবার্তায় প্রতীয়মান হয়, জ্বিন-পরী জাতীয় অদৃশ্য কোনো শক্তি কাজটি বাস্তবায়ন করছে।