গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধে প্রতিরক্ষামূলক কাজ করছে পাউবো

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের নেমে আসা পানির ঢলে গাইবান্ধার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্রহ্মপুুেত্রর পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ও শহরের পয়েন্টে ঘাঘটের পানি বিপদসীমার ৩৫ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ঘাঘটের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় গাইবান্ধার পশ্চিম কোমরনই এলাকায় গত বন্যায় শহর রক্ষা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের প্রায় ১ হাজার মিটার ধ্বসে পড়া অংশকে ভাঙ্গন থেকে রক্ষায় বালির বস্তা ফেলে প্রতিরক্ষামূলক কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নে বালাসীঘাট সংলগ্ন এলাকায় বেড়ীবাঁধ ভেংগে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা উপজেলায় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক নদী ভাঙ্গনের ফলে বসতবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। কোন কোন এলাকায় বসতবাড়ি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এছাড়া নদীর তীরবর্তী এলাকার ভূট্টা, বীজতলা, পাট সহ অন্যান্য ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
২৮ জুন (রোববার ) সকালে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বন্যা ও ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
এদিকে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় বিকেল ৩টা পর্যন্ত গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রক্ষপুএ নদীর পানি বিপদসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ও শহরের পয়েন্টে ঘাঘটের পানি বিপদসীমার ৩৫ সে: মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদী তীরবর্তী কয়েকটি এলাকায়ভাঙ্গনের মূখে পড়েছে। এসব ভাঙ্গণ কবলিত এলাকার কয়েকটি পয়েন্টে জরুরী মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় গাইবান্ধায় ৯ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। নিচু এলাকায় ভূট্ট্রা, বীজতলা, পাট তলিয়ে গেছে। তবে বন্যার পানি সরে গেলে তেমন ক্ষতি হবে না। এছাড়া কৃষকদেরকে উচু এলাকায় আমন বীজতলা তৈরির জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ