দুপচাঁচিয়া-আক্কেলপুর সড়কটি খানা খন্দে ভরা

গোলাম মুক্তাদির সবুজ, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:আক্কেলপুর ভায়া দুপচাঁচিয়া ওমরপুর সড়ক নিমাণে একনেকে  অনুমোদিত ১২৩ কোটি ব্যয়ে প্রকল্পে কাজটি উদ্বোধনের পরেও দুপচাঁচিয়া থেকে জিয়ানগর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়কটি কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা  অবহেলার কারণে কাজ শুরু না হওয়ায় মরণ ফাঁদে পরিনিত হয়েছে ।রাস্তার  জায়গায় জায়গায় পিচ, পাথর ও খোয়া উঠে গেছে। আবার কোথাও খোয়া উঠে মাটির রাস্তায় পরিণত হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে ভেঙে দেবে গিয়ে রাস্তাটি সরু হয়ে গেছে। ভাঙাচোরা এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবোঝাই ট্রাক, ভটভটি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, অটোভ্যান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হেলে দুলে চলছে। প্রতিদিন এই সড়কে  বাড়ছে দুর্ঘটনা  এবং  সড়কটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করেন  কয়েকটি উপজেলার হাজারো মানুষ।যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।বগুড়া থেকে বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহন আক্কেলপুর হয়ে জয়পুরহাট জেলা সদর ও হিলি স্থলবন্দরে যাতায়াত করে। অসংখ্য খানাখন্দ আর জরাজীর্ণ রাস্তার কারণে দুর্ভোগের শিকার হতে হয় চালক ও যাত্রীদের।
এই সড়কের পাশেই রয়েছে দুপচাঁচিয়ার সরকারি খাদ্যগুদাম,অটো রাইস মিল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র। তাই পণ্যবাহী ট্রাক এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের পোহাতে হয় ভোগান্তি। এ থেকে মুক্তি চাইছেন পথচারীরা।
পথচারী আফছার আলী জানান,  দীর্ঘদিন  থেকে শুনছি এই রাস্তা টেন্ডার হয়েছে  কাজ শুরু হবে।   রাস্তার বিভিন্ন স্থানে  বড় বড় গর্ত হলেও সড়কটি সংস্কার করা হয় না।প্রতিদিন ৪ থেকে ৫টি গাড়ি দেবে যায় এবং বৃষ্টি হলে ভোগান্তি বাড়ে কয়েকগুন।দ্রুত কাজ শুরু করা মাধ্যমে এইসব থেকে মুক্তি চাইলেন তিনি ।
বাস চালকরা  জানান, আমরা প্রতিদিন জীবনে ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি।যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এ ব্যাপারে, বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুজ্জামান জানান, সড়কটি কাজ শুরু করা  হয়েছে। প্রধান ঠিকাদারকে বলেছি দুপচাঁচিয়া থেকে জিয়ানগর পর্যন্ত ১০কিলোমিটার রাস্তায়  বড় বড় গর্তগুলো দ্রুত মেরামত করা জন্য।

সর্বশেষ সংবাদ