ঈদের সময় পাইলস ও হৃদরোগ রোগীদের চাই স্বাস্থ্য সচেতনতা

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব  হোসাইন মাজেদ: কুরবানি ঈদের সময় অন্যান্য সময়ের চেয়ে মাংস খাওয়া কিছুটা বেশি হয়। যেহেতু উৎসব কাজেই নিজের বাসা থেকে শুরু করে দাওয়াত- সবখানেই খাবার তালিকায় মাংস থাকেই। তবে দু’একদিন এ মাংস খাওয়া একটু বেশি হলে সমস্যা নেই। বিপত্তি বাঁধে যখন এই খাওয়ার পরিমাণ বেশি হয়ে যায়। একটু রয়ে-সয়ে না খেলে পেটের পীড়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ আছে এমন রোগীদের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।
ঈদে মাংস খান পরিমাণমতঃ-
উৎসব মেনে অনেকে মাংস একটু বেশি পরিমাণে খান। আর বেশি মাংসে পেট ফাঁপা, জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। আর যদি এই সময়ে পানি পান করার পরিমাণ কমে যায় তাহলে সমস্যা বাড়বে আরও বেশি। দেখা দেবে কোষ্ঠকাঠিন্য। সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে নিষেধ নেই, কিন্তু পরিমাণ বজায় রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে দিনের শুরু থেকেই খাবারের একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা উচিত।ঈদের দিন সকাল থেকে নানা ধরনের তৈলাক্ত খাবার, পোলাও, বিরিয়ানি, মুরগি, খাসি বা গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা, চটপটি, দইবড়া কিংবা বোরহানির মতো টক খাবার সকাল আর দুপুরে কম খাওয়াই উত্তম।এখন আসি পাইলস নিয়ে কিছু কথাঃ-পাইলস রোগটির সাথে আমরা হাজার বছর ধরে পরিচিতি,পাইলস বা হেমোরয়েড (বাংলায় অর্শ্ব বা গেজ)- এর নামকরন নিয়ে নানা ধরনের জটিলতা রয়েছে। তবে নাম যাই হোক না কেন, পাইলস হচ্ছে মলদ্বারের ভেতরের আবরনী, তার রক্ত নালী ও অন্যান্য মাংশ পেশীর সমন্বয়ে গঠিত একটি কুশন বা গদির ন্যায় তুলতুলে নরম অংশ। এটি মলদ্বারের ভেতরেই থাকে। কিন্তু যখন রোগ হিসাবে প্রকাশ পায় তখন ঝুলে বাইরে বের হয়ে আসতে পারে। এহা একপ্রকার ধাতুগত পীড়া। মলদ্বারের ভিতরে বা বাহিরের চার পাশের শিরা গুলো ফুলে মটরদানা কিংবা অঙ্গুরের মত কিংবা ছাগলের বাটের মত ছোট ছোট গলি বা টিউমার হলে তাকে অর্শ বা হেমোরয়েড বলে। অর্শ প্রধানত দুই প্রকার যথা অন্তর্বলি ও বহির্বলি এইছাড়া এক প্রকার অর্শকে মিশ্র বলি বলে। যেটি বাহির উভয় স্থানে থাকে।
বয়স- ৩০-৬০ বৎসর বয়সের ভেতর এই রোগের প্রকোপ সব চেয়ে বেশী। ২০ বৎসর বয়সের নিচে পাইলস খুব একটা দেখা যায় না। পাইলস সনাক্ত করা খুব সহজ কাজ নয়। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক কেবল যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষা করে পাইলস সনাক্ত করতে পারেন।কখনো কখনো টয়লেটে বসিয়ে কোথ দিতে হয়ে। আমাদের কাছে বিভিন্ন রোগী আসিয়া বলে আমার পাইলস। তখন রোগী লক্ষণ দেখি বুঝি পাই এনাল ফিশার, পলিপ অথবা ফিস্টুলা অর্থাৎ মলদ্বারের যে কোন রোগকে সবাই পাইলস হিসেবে জানেন। কিন্তু এইখানে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। এই রোগ মহিলাদের চেয়েও পুরুষের কিছুটা বেশী হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বৎসর বয়সের উর্দ্ধে জনসংখ্যার ৫০% বা কোন না কোন সময় পাইলস এর সমস্যায় ভোগেন।
★কারনঃ নানা কারনে অর্শ হতে পারে। প্রধান কারণ লিভারের মধ্যে এবং ধমনীতে রক্তাধিক্য হলে অর্শ হয়। এছাড়া অলস প্রকৃতির লোকের সারা দিন বসে বসে থাকা, ঘিয়ে ভাজা বা অধিক মসলা যুক্ত রান্না খাওয়া, কষ্ট বধ্যতার জন্য অধিক কোথ দিয়ে পায়খানা করা। ঘন ঘন জোলাপের ঔষুধ খাওয়া মলদ্বারের ক্রিমির  অত্যচারের জন্য বার বার খোটলানোর কামরিপুর উত্তেজনার কারনে এবং মাতা, পিতার এই রোগ থাকলে সন্তানের ও অর্শ হয়।★ লক্ষণঃ টয়লেটে তাজা রক্ত যাওয়া।সাধারণত বাইরে এসে আটকে গেলে অথবা ভেতরে রক্তক্ষরণ হলে।সময় সময় র্বলী গুলি চুলকায়। ধপ ধপ করে ব্যাথা করে এবং জ্বালাপোড়া করে। কাটা পোটার মত বেদনা এবং কোমরে বেদনা। মল ত্যাগকালে র্বলী থেকে রক্তস্রাব হয়। কোন কোন সময় রক্তস্রাব হয় না,আম (মিউকাস) জাতীয় নিঃসরন,মলত্যাগের সময় নরম আবরনী ঝুলে বাইরে চলে আসা।★কেন হয় পাইলসঃ-
বহুবিধ কারনে পাইলস এর লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
* দীর্ঘ সময় টয়লেট এ বসে থাকা এবং চাপ প্রয়োগ করে টয়লেট করা, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদী কোষ্টকাঠিন্য।*প্যান এ টয়লেট করা।
*বংশানুক্রমিক ভাবেও এ রোগ ছড়ায়।* ঘন ঘন পতলা পায়খানা হওয়া।* রক্ত নালীর মধ্যে কপাটিকা (ভাল্ব) না থাকা।* গর্ভকালীন অবস্থা।
★ আনুষাঙ্গিক চিকিৎসাঃ তিনটি বিষয়ে লক্ষ রাখিতে হইবে। ১। আহার ও ভ্রমন সমন্ধে নিয়ম পালন । ২। নিয়মিত পায়খানা পরিস্কার হওয়ার ব্যবস্থা করা. ৩) অর্শের স্থানটিকে ভালোভাবে পরিস্কার রাখা।★এলোপ্যাথিক  চিকিৎসাঃ অর্শে কোন সুচিকিৎসা হয় না। অস্ত্রে প্রসার ছাড়া কোন গতি নাই। কিন্তু তাতেও রোগ নিমূল হইয়া সারিতে পারে না। অতএব প্রথম থেকেই অর্গানন অনুসরনকারী হোমিও প্যাথিতে চিকিৎসা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। যে পুরাতন রোগ বীজ রোগীর দেহে বর্তমান থাকিয়া এই রোগের সৃষ্টি করিয়াছে সেই ধাতুগত দোষ দুরি করনার্থ উপযুক্ত সোরাদোষ ঔষুধ সেবন না করিলে শুধু অস্ত্রপচার বা এলোপ্যাথি ঔষুধ খাইলে কোন লাভ হইবে না।★ প্রতিরোধের উপায় : সময়মত কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়ার সমস্যা থাকলে  চিকিৎসা করা, টয়লেটে বসে বসে পেপার বা বই না পড়া, খাবারের সঙ্গে আঁশ জাতীয় জিনিস যেমন : ফল, সবজি, সালাদ পরিমাণ মতো খাওয়া, দৈনিক ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা, ভারী ওজন না তোলা, অতিরিক্ত গরমে বেশিক্ষণ না থাকা ইত্যাদি।★করনীয়ঃপাইলস এর হাতুরে চিকিৎসার ফলে মলদ্বারের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, এমনকি মলদ্বার বন্ধও হয়ে যেতে পারে। তাই পাইলস এর লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে এর চিকিৎসা নেওয়া উচিৎ। শুরুতেই চিকিৎসা নিলে জটিলতা কম হয় এবং ভাল হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এজন্য প্রথমেই একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক কর্তৃক রোগ নির্নয় করানো উচিৎ। সঠিক রোগ নির্ণয় সঠিক চিকিৎসার পূর্বশর্ত।
★ঈদের সময় সাধারণ রোগী ও পাইলস রোগীর জন্য কিছু পরামর্শঃ-
পরিমিত খাবারে ঈদে থাকুন সুস্থ
কুরবানি ঈদের সময় অন্যান্য সময়ের চেয়ে মাংস খাওয়া কিছুটা বেশি হয়। যেহেতু উৎসব কাজেই নিজের বাসা থেকে শুরু করে দাওয়াত- সবখানেই খাবার তালিকায় মাংস থাকেই। তবে দু’একদিন এ মাংস খাওয়া একটু বেশি হলে সমস্যা নেই। বিপত্তি বাঁধে যখন এই খাওয়ার পরিমাণ বেশি হয়ে যায়। একটু রয়ে-সয়ে না খেলে পেটের পীড়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ আছে এমন রোগীদের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।
উৎসব মেনে অনেকে মাংস একটু বেশি পরিমাণে খান। আর বেশি মাংসে পেট ফাঁপা, জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। আর যদি এই সময়ে পানি পান করার পরিমাণ কমে যায় তাহলে সমস্যা বাড়বে আরও বেশি। দেখা দেবে কোষ্ঠকাঠিন্য। সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে নিষেধ নেই, কিন্তু পরিমাণ বজায় রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে দিনের শুরু থেকেই খাবারের একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা উচিত।
ঈদের দিন সকাল থেকে নানা ধরনের তৈলাক্ত খাবার, পোলাও, বিরিয়ানি, মুরগি, খাসি বা গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা, চটপটি, দইবড়া কিংবা বোরহানির মতো টক খাবার সকাল আর দুপুরে কম খাওয়াই উত্তম।
★সকালে হালকা খাবারঃ-
সকালে ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন। ঈদের নামাজে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে অল্প করে সেমাই বা পায়েস খেতে পারেন। এর সাথে কয়েকটি কিশমিশ, বাদাম খেলে ভাল। দোকান থেকে আনা কোমল পানীয়, ড্রিংকস, ফ্রুট জুস না খেয়ে ঘরে বানানো ফলের জুস, লেবুর শরবত অথবা ডাবের পানি খেতে পারেন।
খাবার খেতে হবে বুঝে শুনে
কম বয়সী ব্যক্তিদের যদি কোনো প্রকার শারীরিক সমস্যা না থাকে তাহলে তারা পছন্দমত সব খাবার খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া এড়িয়ে চলা ভাল। নইলে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার দেখা দিতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা।
যাদের অ্যানাল ফিশার ও পাইলস-জাতীয় রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে, এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণ পর্যন্ত হতে পারে। এ সমস্যা রোধে প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি করে খেতে হবে।
পেটে গ্যাসের সমস্যা হলে হোমিওপ্যাথি ঔষধ, পালসেটিলা,অথবা নাক্স ভূমিকা  খেতে পারেন।যাদের আইবিএস আছে, তারা দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন।
দাওয়াতে গেলে অতিভোজন পরিহার করার চেষ্টা করুন। রাতে খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাবেন। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি খাবেন না, এতে হজম রসগুলো পাতলা হয়ে যায়। ফলে হজমে অসুবিধা হয়।
★এই সময়ে চর্বি এড়িয়ে চলুনঃ-
যে কোনো চর্বি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য এমনিতেই ক্ষতিকর। কুরবানির সময় এ বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিত।
মাংসে আলাদা কোনও চর্বি যোগ না করে এর সাথে সবজি যুক্ত করে রান্না করতে পারলে ভাল। টাটকা সবজি পাকস্থলীকে সাবলীল রাখে।
তেল বা ঘিয়ের পরিমাণ কমিয়ে মাংস রান্না করুন। ভুনা মাংসের বদলে শুকনো কাবাব করে খেলে, মাংস পুড়িয়ে খেলে, কোমল পানীয় ও মিষ্টি একেবারে কমিয়ে খেলে কোরবানির ঈদের সময়ও ভালোই থাকা যায়। খাওয়ার পর হালকা ব্যায়াম বা কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি কমিয়ে ফেলা সম্ভব।
★বড়দের মাঝে সচেতনতা চাইঃ-
মধ্যবয়সী এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের মাঝে খাবার সম্পর্কে সচেতনতা থাকা উচিত। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত চর্বি ইত্যাদি না থাকা সত্ত্বেও এই বয়সী মানুষের ঈদের খাবারের ব্যাপারে বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার।
বেশি মাংস খেলে পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি, ভরা ভরা ভাব, বারবার ঢেকুর ওঠা এমনকি বুকে ব্যথা পর্যন্ত হতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগীকে অবশ্যই মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যদি মিষ্টি খেতেই হয় তাহলে চিনির বিকল্প দিয়ে খাবার বানানো যেতে পারে।
পোলাও, বিরিয়ানি কম খাবেন। গরু বা খাসির মাংস খাওয়া যাবে, পরিমাণটা অতিরিক্ত যাতে না হয় এবং তেল বা চর্বি যেন কম থাকে।
★স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য:-
স্ট্রোক এবং হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা অবশ্যই তৈলাক্ত মাংস কমিয়ে খাবেন। সারা বছর তারা যে ধরণের নিয়মকানুন পালন করেন খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে, কোরবানির সময়ও সেই ভাবে চলা উচিত। কোরবানির মাংস একটু আধটু খেলে শরীরের যে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে তা নয়, তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যাদের ওজন বেশি তাদের অবশ্যই ঈদের সময় অতিরিক্ত খাওয়া পরিহার করতে হবে। গেঁটে বাত বা ইউরিক এসিড বেশি যাদের এবং যারা কিডনির সমস্যায় ভোগেন, তাদেরকে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কম খেতে বলা হয়।
★হোমিও প্রতিবিধানঃ ঈদের সকল রোগের সমস্যার জন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহন করা, আর হোমিওপ্যাথি হলো    রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। আবার অনেক চিকিৎসক বের হইছে নিজেদেরকে অর্শ ভগন্দেরের চিকিৎসক বলে থাকে। কিন্তু ঐ সব ডাক্তার বাবুরা রোগীদেরকে ইনজেকশানের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকে। আবার মলম বা ক্রিম লাগাইতে রোগীদেরকে বলে। যেটা সাময়িক নিরাময়। কিন্তু পরে জঠিল আকার ধারন করে।এইরকম অনেক চিকিৎসক চট্টগ্রাম ফেনীসহ সারা বাংলাদেশেে   অনেক জায়গায় এইসব রোগীর অপচিকিৎসা দিয়ে থাকে। যেটা একজন আদর্শ রোগীর উচিত নয়, চিকিৎসা নেওয়া, চিকিৎসা নিতে হবে  অর্গানন অনুসরণ করে এই রকম  চিকিৎসকের কাছ থেকে।      ইজন্য যেসব ডাক্তার নিজেদেরকে হানেমানের উত্তশ্বরী বলে থাকে তারা যেন রোগীর সঠিক লক্ষন নির্বাচন করতে পারলে তাহালে হোমিওতে অর্শরোগীর চিকিৎসা আল্লাহর রহমতে দেওয়া সম্ভব।আর সারা বছর কমবেশি যাই খাওয়া হোক, ঈদের সময়ে মাংস তুলনামূলক একটু বেশিই খাওয়া হয়। তাই নিজের প্রতি যত্নবান হতে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সচেতন থাকুন, সুস্থতার সাথে ঈদ আনন্দ উপভোগ করুন।

সর্বশেষ সংবাদ