ফেঁসে যাচ্ছেন বার্সা সভাপতি!

বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির সমস্যা আপাতত মিটে গেলেও সমস্যায় পড়ে যাচ্ছেন বার্সা সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ। নিজের স্বার্থে ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ তুলেছে স্পেনের পুলিশ। এ নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন বার্সেলোনার আদালতে পাঠিয়েছে তারা।

বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে মোটা অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি জেলও হতে পারে বার্সেলোনা সভাপতির। অভিযোগটা অবশ্য নতুন নয়। নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ২০১৭ সালে ক্লাবের অর্থে আইথ্রি ভেঞ্চার্স নামের একটি জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বার্তোমেউ। সেটা বাজারমূল্যের চেয়ে ৬০০ গুণ বেশি অর্থ দিয়ে।

মেসিসহ ক্লাবের বর্তমান ও সাবেক যে খেলোয়াড়দের সঙ্গে বার্তোমেউর ঝামেলা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোই ছিল আইথ্রির প্রধান কাজ! যা বার্সাগেট কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত।
ফেঁসে যাচ্ছেন বার্সা সভাপতি!
বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির সমস্যা আপাতত মিটে গেলেও সমস্যায় পড়ে যাচ্ছেন বার্সা সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ। নিজের স্বার্থে ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ তুলেছে স্পেনের পুলিশ। এ নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন বার্সেলোনার আদালতে পাঠিয়েছে তারা।

বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে মোটা অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি জেলও হতে পারে বার্সেলোনা সভাপতির। অভিযোগটা অবশ্য নতুন নয়। নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ২০১৭ সালে ক্লাবের অর্থে আইথ্রি ভেঞ্চার্স নামের একটি জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বার্তোমেউ। সেটা বাজারমূল্যের চেয়ে ৬০০ গুণ বেশি অর্থ দিয়ে।

মেসিসহ ক্লাবের বর্তমান ও সাবেক যে খেলোয়াড়দের সঙ্গে বার্তোমেউর ঝামেলা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোই ছিল আইথ্রির প্রধান কাজ! যা বার্সাগেট কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত।

ব্যাপারটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর নিজেকে বাঁচাতে ক্লাবের এক পরিচালকের কাঁধে সব দায় চাপিয়ে তাকে ছাঁটাই করেছিলেন বার্তোমেউ। কিন্তু স্পেনের পুলিশ বিভাগের তদন্তে উঠে এসেছে বার্তোমেউয়ের সেই অপকর্ম।

অর্থপাচার, দুর্নীতি ও নিজের স্বার্থে ক্লাবকে ব্যবহার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে পিঠ বাঁচাতে পারবেন না বার্সা সভাপতি।

প্রসঙ্গত, বার্সেলোনা সভাপতির সঙ্গে মনমালিন্য এবং ভুল পরিকল্পনার কারণে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে স্বেচ্ছায় ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ৭০ কোটি ইউরো রিলিজ ক্লজের একপয়সা কমেও আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে ছাড়তে রাজি নয় বার্সেলোনা। যে কারণে চুক্তি অনুসারে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত বার্সাতেই থাকতে হচ্ছে মেসিকে।

ব্যাপারটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর নিজেকে বাঁচাতে ক্লাবের এক পরিচালকের কাঁধে সব দায় চাপিয়ে তাকে ছাঁটাই করেছিলেন বার্তোমেউ। কিন্তু স্পেনের পুলিশ বিভাগের তদন্তে উঠে এসেছে বার্তোমেউয়ের সেই অপকর্ম।

অর্থপাচার, দুর্নীতি ও নিজের স্বার্থে ক্লাবকে ব্যবহার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে পিঠ বাঁচাতে পারবেন না বার্সা সভাপতি।

প্রসঙ্গত, বার্সেলোনা সভাপতির সঙ্গে মনমালিন্য এবং ভুল পরিকল্পনার কারণে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে স্বেচ্ছায় ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ৭০ কোটি ইউরো রিলিজ ক্লজের একপয়সা কমেও আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে ছাড়তে রাজি নয় বার্সেলোনা। যে কারণে চুক্তি অনুসারে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত বার্সাতেই থাকতে হচ্ছে মেসিকে।