মান্দায় ভিজিডি কার্ড বিতরনে অনিয়ম

নওগা প্রতিনিধি ঃ নওগাঁর মান্দা উপজেলার ৩নং পরানপুর ইউপির ৩৮ গ্রামের হত দরিদ্র, অসহায়, দুস্থ নারী-পুরুষের মাঝে ভিজিডি কার্ড বিতরনে অনিয়ম, দুনীতি, স্বজনপ্রীতি,অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গেছে । প্রত্যেদর্শী ও স্থানীয়রা জানাই প্রকৃত দুস্থদের বাদ রেখে যারা চেয়ারম্যান মেম্বারদের চাহিদা মোতাবেক টাকা দিতে পেরেছে তাদের নামে ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ দেয়া হয়েছে । তথ্য অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে এমন কি পরপর কয়েকবার ভিজিডি কার্ডের সুবিধা ভোগ করেছে তাদের নামও চলিত (নতুন) তালিকায় অন্তভুক্ত করা হয়েছে । চেয়ারম্যান, মেম্বার জাহাঙ্গীর প্রভাবশালী নেতা ও পাতিনেতাদের যারা আড়াই থেকে চার হাজার টাকা দিতে পেরেছে তারা সুবিধা ভোগী হবার যোগ্য বা অযোগ্য কিনা তা বিবেচনা করা হয়নি । কিছু কিছু গ্রাম রয়েছে সে গ্রামের একজনের নামও তালিকায় রাখা হয়নি। পরানপুর ইউপির কয়েকটি গ্রামের অনেক অসহায়, দুস্থ নারী-পুরুষ নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন ভ্যান চালক, মুঠেমজুর, কামলা, অসহায় বেশ কিছু নারী-পুরুষ রয়েছে, চেয়ারম্যান , মেম্বাররা কি তাদের চেনেন না তাদের কি চোখে পড়ে না । আনিত অভিযোগ সমদ্ধে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান আমার জানামতে পরানপুর ইউপির কোন গ্রাম সুবিধা ভোগীর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি । এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুর রহমান খান সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।
নজিপুর-সাপাহার রাস্তাটির বেহাল দশা : জনদূর্ভোগ চরমে সংস্কারের উদ্যোগ নেই

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর পতœীতলা উপজেলার বাঁকরইল মোড় হতে সাপাহার উপজেলা সদর পর্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির কারপেটিং ওঠে হাজারো খানা-খন্দকের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে । বহুদিন যাবৎ রাস্তাটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই । যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় স্কুল ও কলেজ ছাত্রী রোমানা, নাসরিন, সুমি, খাদিজা, শারমিনসহ ভুক্তভোগিরা অভিযোগে জানায়, প্রতিদিন এ রাস্তা হয়ে শিা প্রতিষ্ঠানে যানবাহনে চড়ে চলাচলের সময় সঙ্কিত অবস্থায় থাকতে হয়। ফলে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কর্তৃপরে নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। যাত্রীবাহী বাস চালক আসলামসহ আরো অনেকই একই ধরণের অভিযোগ জানায়। দিবর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরজ্জামান হোসেন জানায়, বাঁকরইল হতে সাপাহার পর্যন্ত রাস্তাটির ব্যাপক খানা-খন্দকে পরিপূর্ণ দ্রত সংস্কার হওয়া উচিত। দেখা গেছে সম্প্রতি ভারি বৃষ্টিপাতে রাস্তার পার্শ্বের মাটিগুলো ধসে যাওয়ায় রাস্তাটির আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পথচারিরা যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার কথাটি উড়িয়ে দিচ্ছেন না। অভিযোগে জানাগেছে রাস্তার উবয় পার্শ্বে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় রাস্তাটির আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। নজিপুর বাসষ্ট্যান্ডে- কর্মরত চেইন মাস্টার আব্দুর রফিক জানায়, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে প্রায় দুই শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ঝুঁকিনিয়ে চলাচল করে। বাস মালিক আতাউস সামাদ (নান্টু) অভিমতে জানায়,এ রাস্তায় বাস চলাচলের সময় আমাদের অনেকটা আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। জানাগেছে, চারদলীয় জোট সরকার মতায় থাকাকালীন অবস্থায় তৎকালিন যোগাযোগ মন্ত্রি বারিস্টার নাজমুল হুদা নজিপুর-সাপাহার প্রায় ১৮ কিলোমিটার রাস্তাটি আঞ্চলিক মহা সড়কে উন্নত করণের জন্য উপজেলা সদর নজিপুর বাসষ্ট্যানে- আনুষ্ঠানিকভাবে ফলক উন্মচোন ও উদ্বোধন করলেও এর পর আর উন্নয়ন হয়নি। তবে তার ফলকটি এখনো তার সাঙ্গি হয়ে রয়েছে। এ বিষয়ে বুধবারে সকালে সড়কও জনপথের পতœীতলা সাবডিভিশনাল অফিসের এ,এস,ডি,ই ও এস,ও ইকবাল হোসেন এলাকার বাহিরে কর্মরত থাকায় মতামত গ্রহনের সুযোগ পাওয়া যায়নি।