দেশে ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি চেয়েছে আরও কয়েকটি কোম্পানি

চীনের সিনোভ্যাকের পর আরও কয়েকটি কোম্পানি বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের জন্য অনুমতি চেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান।

তিনি বলেন, তারা পাইপলাইনে আছে। তবে এক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটে অবস্থিত অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল এবং বসুন্ধরা করোনা আইসোলেশন কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

যেকোনও দেশ করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করলে তা কেনার জন্য সরকার অর্থ বরাদ্দ রেখেছে জানিয়ে আব্দুল মান্নান বলেন, ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর সবাই ফ্রি দেবে না, তাই বাংলাদেশ যেন কিনতে পারে সে জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রেখেছে সরকার। চীনকে ট্রায়ালের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে, আরও কয়েকটি কোম্পানি পাইপলাইনে আছে। তারা অনুমতি চাচ্ছে।

তবে কোন কোন কোম্পানি অনুমতি চেয়েছে তাদের নাম উল্লেখ করেননি তিনি। একইসঙ্গে বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টারে প্রায় আড়াই হাজার শয্যার মধ্যে বর্তমানে ২৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ১৪০ জন চিকিৎসক, নার্স এখানে কর্মরত আছেন। বাকি শয্যা ফাঁকা।

হাসপাতালগুলোর কী অবস্থা দেখার জন্যই পরিদর্শনে গিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, একইসঙ্গে এসব হাসপাতালে যেসব অব্যবহৃত সরঞ্জাম রয়েছে সেগুলো অন্য হাসপাতালে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা ভেবে দেখা হবে।

সর্বশেষ সংবাদ