বগুড়া জেলা “উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ভিপি সুলতান এর কাল শুভ জম্মদিন

একজন আওয়ামী রাজনীতির সক্রিয় কর্মী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শাজাহানপুর উপজেলা শাখার সফল সভাপতি আলহাজ্ব ভিপি এম সুলতান আহম্মেদ।
তৃণমূল থেকে তিল তিল করে বেড়ে উঠা একজন রাজনৈতিক কর্মী ভিপি সুলতান ১৯৮০ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর বগুড়া জেলা শাজাহানপুর উপজেলার চক চুপিনগর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন। পিতা- রজব আলী প্রামানিক, মাতা- জাহানার বেগম। এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি বাবা-মার কনিষ্ঠ সন্তান। পারিবারিক জীবনে দুই সন্তানের জনক। ছেলে রায়হান সুলতান মুগ্ধ, মেয়ে সানিয়া সুলতান স্নিগ্ধ। ১৯৮৫ সালে চুপিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে তার শিক্ষা জীবনের শুরু। ১৯৯৫ সালে চুপিনগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা (ম্যাট্রিক), সরকারী শাহ সুলতান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, বগুড়া থেকে ১৯৯৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা (ইন্টারমিডিয়েট) ও ১৯৯৯ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ১৯৯৫ সালে কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকের পদ লাভ করেন। ১৯৯৬-১৯৯৭ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক পদে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হন। ১৯৯৯-২০০০ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় ভিপি নির্বাচিত হন। এরপর থেকে ভিপি সুলতান নামে পরিচিতি লাভ করেন। ২০০২ সালে বগুড়া সদরের দক্ষিনাংশ শাজাহানপুর নামে নতুন উপজেলায় রুপান্তরিত হলে ভিপি সুলতান বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শাজাহানপুর উপজেলা শাখার যুগ্ন আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পান। পরবর্তী সম্মেলন ২০০৫ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শাজাহানপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শাজাহানপুর উপজেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যবধি পর্যন্ত সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী, বিনয়ী, হাস্যজ্জল ও দায়িত্বশীল মানুষ। তিনি যখন যেখানে যে দায়িত্ব পেয়েছেন নিজেকে উজার করে দিয়েছেন। ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করে বিএনপির ঘাঁটি বলে খ্যাত এলাকায় অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও ৫৫০০০ ভোট পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। পরবতীতে ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। বর্তমানে বগুড়া জেলা “উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান” এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
২০০১ সালে সরকার পরিবর্তন হলে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দলোনে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এ সময় তিনি বেশ কয়েকটি মামলার আসামী হন এবং কারাবরণ করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে একাধিকবার তার বাসভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এমনকি কয়েকবছর ঠিকভাবে নিজ বাড়িতে ঘুমাতে পারেননি। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের একনিষ্ঠ এই কর্মী দলের সংকটময় মুহূর্তে রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে জীবন-পণ সংগ্রাম চালিয়েছেন।
নিজ সংগঠনের বাহিরেও তার কর্মনিষ্ঠতা আন্তরিকতা ও সদাচরন ঈর্ষনীয় জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। ২০১৫ সালে তাবলীগ জামাতের মাধ্যমে তিন চিল্লায় জান পরবর্তীতে ২০১৮ সালে পবিত্র হজ্ব ব্রত পালন করেন।
তিনি বর্তমানে শজাহানপুর ইউসিসিএ লিঃ (বিআরডিবি), বগুড়া এর তিনবারের সভাপতি ও দুবলাগাড়ী ডিগ্রী কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দক্ষতা ও সততার সহিত দায়িত্ব পালন করছেন। হাস্যজ্জ্বল এই মানুষটি আগামী সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-০৭ (শাজাহানপুর-গাবতলী) এলাকা হতে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

সর্বশেষ সংবাদ