এমপি সিরাজকে সংস্কারপন্থী উল্লেখ করে বগুড়ায় ফের সিপার সমর্থকদের বিক্ষোভ

ষ্টাফ  রিপোর্টারঃ বগুড়া সদর ০৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে সংস্কারপন্থী উল্লেখ করে তাঁর হাত থেকে বগুড়া বিএনপিকে বাঁচাতে বগুড়ায় ফের সিপার সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এর আগে সিপার সমর্থক বিএনপির নেতাকর্মীরা এমপি সিরাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করে ঝাড়ু-লাঠি মিছিল করেছিল।
জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও যুবদলের সাবেক সভাপতি ১১ নং ওয়ার্ডের চার বারের কাউন্সিলর সিপার আল বখতিয়ারকে বহিষ্কার করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বিভিন্ন এলাকার বিএনপির সাধারন সমর্থক ও কর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সিপারের সমর্থক বিএনপি- যুবদল, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে আবারো বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে দিকে যেতে চাইলে, ডিসির বাংলোর সামনে পুলিশ বাঁধা দেয়। সেখানেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, যুবদল বগুড়া জেলা শাখার সাবেক সহ-সভাপতি রাফিউল ইসলাম রুবেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুকুল ইসলাম ফারুক, শহর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা মাসুদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মেদ বিন বিল্লাহ শান্ত, মোয়াজ্জেম হোসেন হিটলু, কবিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম নজু প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সিরাজের রাজনীতি আমরা মানিনা। যে সংস্কারপন্থী ইমাম পাল্টানোর কথা বলে, বেগম জিয়াকে মাইনাস করতে চেয়েছিল, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিল, সেই বেঈমান সিরাজের রাজনীতি বগুড়ার মাটিতে চলতে দেয়া হবেনা। নেতারা আরও বলেন, পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজ তাঁর পকেটের লোক দিয়ে লোক দেখানো ব্যালট বাক্সে ভোট করিয়ে আরেক সংস্কারপন্থী রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দিতে পায়তারা চালাচ্ছে। এব্যাপারে বিএনপি নেতা এম. আর ইসলাম স্বাধীন দৃষ্টি ২৪.কমকে জানান, এই ভোটের ব্যাপারে আমরা প্রার্থীরা কিছুই জানিনা। লোক দেখানো কারচুপির ভোট প্রত্যাখান করছি।
সমাবেশে নেতারা বিএনপির চেয়ারপাার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, অবিলম্বে সিরাজমুক্ত বিএনপি গঠন করে, ত্যাগী নেতা সিপার আল বখতিয়ার, ফারুকুল ইসলাম ফারুক, মাসুদ রানাসহ যাদেরকে অন্যায়ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের অনতিবিলম্বে স্বপদে বহালের দাবি জানাচ্ছি।
এসময় মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আবু তালেব জালাল, রঞ্জন দাস, জুম্মন আলী শেখ, নজরুল ইসলাম নজু, আলমগীর হোসেন, জহুরুল ইসলাম ফুয়াদ, শাহীউল আলম, জাফরুল আলম জিতু, ইঞ্জিঃ জিয়াউল ইসলাম আপেল, রুহুল আমীন, আব্দুল মোমিন, মহরম হোসেন টফিন, এনামুল হক মানিক, মনোয়ার হোসেন হীরা, আব্দুল মান্নান, মইনুল ইসলাম পিয়াস, নুরুজ্জামান কাকন, আব্দুল্লাহ আল আমিন রাজীব, মামুন জোয়ার্দার, কাজী বিপ্লব, মোমিনুল ইসলাম মমি, সঞ্জয় রায়, কামাল পাশা, এমরান হোসেন বাপ্পী, রানা মন্ডল, রানা, আব্দুর রাজ্জাক, শাফি, টগর শেখ, সালাম, মনোয়ার হোসেন মনা,আপেল, সোহাগ, রকেট, আমিনুর, মানিক, ওয়াসিম আকরাম, তন্ময়, মিল্লাত, ছাত্রনেতা রবিউল ইসলাম আওয়াল, কনক, শামসুজ্জোহা পাভেল, আলিফসহ বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মীরা। এদিকে সংঘর্ষ এড়াতে শহরে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।