তানোরে সার বীজ নিয়ে ডিলার ও কৃষি অফিসের ইদুর বিড়াল খেলা

সারোয়ার হোসেন: রাজশাহীর তানোরে চলতি মৌসুমে আলুর বীজ ও সারের জন্য হাহাকার করছেন আলু চাষিরা। অন্যদিকে তানোর উপজেলার কৃষকদের জন্য দেয়া কৃষি অফিসের চাহিদার বরাদ্দের সার খোজে পাওয়া যাচ্ছেনা তানোর উপজেলার কোন ডিলারদের গোডাউনে। জনসাধারণের প্রশ্ন- তাহলে তানোরের কৃষকের জন্য সরকার থেকে যে সার বরাদ্দ দিয়েছে সেই সার গুলো গেলো কথায়? আর যদি সঠিক ভাবে বরাদ্দের সার কৃষকের মাঝে দেয়া হয় তাহলে কেন সার সংকটের অভিযোগ উঠছে কৃষকের মধ্যে। তাহলে কৃষকের জন্য দেয়া বরাদ্দের সার ও আলুর বীজ নিয়ে কৃষি অফিস নাকি উপজেলার সার বীজ ডিলাররা ইদুর বিড়াল খেলা খেলছেন। তা খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। কৃষকদের কাছে থেকে জানা গেছে, তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তানোর উপজেলার কিছু অসাধু সার বীজ ডিলাররা মিলে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। সেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তানোরের জন্য দেয়া বরাদ্দের সার বীজ তানোরে না এনে গোডাউন থেকেই বেশি মুনাফার লোভে বাহিরে বিক্রি করে দিচ্ছেন সার বীজ ডিলাররা। আর অল্প দামে বাহিরে থেকে সার বীজ কিনে এনে মানুষ দেখানোর জন্য দোকানে বা গোডাউনে রাখছেন সার বীজ ডিলাররা। গোপন সূত্রে জানা গেছে, এই আলুর মৌসুম এলেই সার বীজ সংকট সৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। আর এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মূলহোতা গডফাদার তানোর পৌর শহরের গোল্লাপাড়া বাজারের শীর্ষ সার বীজ ব্যবসায়ী সৈয়ব আলী বলে আলু চাষি কৃষকদের মাঝে গুঞ্জন উঠেছে। তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামিমুল ইসলামের কাছে এবার চলতি মৌসুমে উপজেলার কৃষকদের জন্য কত মেট্রিকটন সার ও আলুর বীজ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে কোন তথ্য দিতে রাজি না বলে এড়িয়ে যান। এমনকি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে সার বীজ সংকট সৃষ্টি নিয়ে একাধিক বার (01720437828) নম্বরে ফোন দেয়া হলেও কখনোই তাকে ফোনে পাওয়া যায়না।