আওয়ামী লীগের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি চায় সাবেক এমপি..লালু

আওয়ামী লীগের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি চায় মামলা-হামলা দিয়ে আর যাই হোক ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। দেশের শান্তিকামী মানুষকে স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার আদায়সহ জালিম সরকারের পতন ঘটানোর জন্য যুবদল আরোও ঐক্যবন্ধ ও শক্তিশালী। অবৈধ ক্ষমতার মোহ ফ্যাসিবাদী সরকারকে অন্ধ করে দিয়েছে। তারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। মঙ্গলবার শহরের নবাববাড়ী রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সড়কে বগুড়া জেলা যুবদলের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম এর সভাপতিত্বে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিঃ সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বারুদ, সিনিঃ যুগ্ন-স্ধাারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান সহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দের নামে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সমাবেশে তিনি আরোও বলেন, এই সরকার সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শুধু নির্বাচন ব্যবস্থাকে নয় তারা গণতন্ত্র ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন একটা অযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। রাতের অন্ধকারে জনগণের অধিকারকে তারা লুট করে নিয়েছে। যতগুলো নির্বাচন এই সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের অধীনে হয়েছে প্রত্যেকটা নির্বাচনে তাদের পক্ষে লুট করে নিয়েছে। ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতি করে নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেফতার করছে। আমাদের দল একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। অতীতের সকল নির্বাচন বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচনের ব্যবস্থার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি আগামী পৌর নির্বাচনে
জনবান্ধব, কর্মীবান্ধব এবং যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে যুবদলের নেতাকর্মিদের আহ্বান ও জানান । বিক্ষোভ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন-আহ্বায়ক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা যুবদলের আহ্বায় কমিটির সদস্য শাহনেওয়াজ সাজন, রাশেদুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম শফিক,রেজাউল করিম লাবু,সাইফুল ইসলাম রনি,আহসান হাবিব মমি,হারুনুর রশিদ সুজন,আলী রেজা রুনু,আমিনুর রহমান শাহিন,আনোয়ার হোসেন সান্টু,তাজমিনুল ইসলাম বিচিত্র,ফিরোজ ওয়াহেদ, সুরুজ্জামান সুরুজ, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মিনহাজুল ইসলাম রিমন,শাহাদৎ হোসেন সোহাগ,জুম্মান শেখ,রাশেদুল কবির রাশেদ, মেহেদী হাসান নয়ন,মোসলেম উদ্দিন স্বপন,রায়হান শরিফ মাসুম,জাহাঙ্গীর আলম বিপুল। শহরে যুবদলের রবিউল ইসলাম দারুন, জুয়েল শেখ, সাদ্দাম, বাপ্পি,বাইতুল্লাহ শেখ, মিরাজ,রুকন, আন্দালিফ, সদর উপজেলা যুবদলের রাশেদ,তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, গাবতলী উপজেলা যুবদলের মজনু, রুহিন, হারুন, শাজাহানুপরে উপজেলা যুবদলের জিল্লুর,সোহেল, সাজেদুল, রয়েল, ধুনট উপজেলা যুবদলের উজ্জল, মোহাম্মাদ আলী জন, শামীম, শেরপুর উপজেলা যুবদলের মামুন, সম্রাট, নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের সুমন, রুবেল, কাহালু উপজেলা যুবদলের মোমিন, জিল্লুর, সান্তাহার যুবদলের টিটু,লিটন, দুপচাঁচিয়া উপজেলা যুবদলের টিটু, রাকিব, শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের হাফিজুর রহমান হিরু, সোনাতলঅ উপজেলা যুবদলের হান্নান, বাবু, সারিয়াকান্দি উপজেলা যুবদলের মহিদুল ইসলাম, তারাজুল ইসলাম পনি, রুবেল , দিপন সহ ২৪টি ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।