তানোর উপজেলা বাসীর মন ছুঁয়েছে তৃনমূল জনগণের সেবক চেয়ারম্যান ময়নার সফল রাজনীতি

সারোয়ার হোসেন,তানোর(রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও কলমা ইউনিয়ন পরিষদের ২বারের সফল চেয়ারম্যান বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নার তৃণমূল থেকে উঠে আশা রাজনীতি তানোর বাসীর মন ছুঁয়েছে। জানা গেছে, চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না যুবলীগের সংগঠনে আশার পর থেকে তার সকল মেধা যোগ্যতা দিয়ে তিল তিল করে আজ যুবলীগ সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনকে চাঙ্গা করেছেন। চেয়ারম্যান ময়না ২০০১ সালে প্রথম যুবলীগে প্রদায়ন করেন। তার পর থেকেই শুরু হয় তানোর উপজেলাতে বিএনপির ঘাটি থেকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রুপান্তর করার চেষ্টা। আর চেয়ারম্যান ময়নার সৎ সাহস নিয়ে এগিয়ে চলার রাজনীতি সফল হিসেবে আওয়ামী লীগকে আজ তানোর উপজেলাতে একটি শক্তিশালী দল হিসেবে পরিনত হয়েছে। একসময় তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সব দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সময় রাব্বানী ও মামুন ছাড়া কাউকে আওয়ামী লীগের ব্যানারে কোন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠান করতে দেয়া হয়নি। এমনকি যুবলীগের কোন নেতাকর্মীদের কোন দলীয় প্রোগ্রামে আসতে দেয়া বা জানানো হতনা। একসময় চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নাকে বাদ রেখে এমপির কাছ থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে গোলাম রাব্বানী ও মামুন আওয়ামী লীগের সবকিছু কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আশার পর থেকে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রায় ১০বছর ক্ষমতা ভোগ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। তারা দুইজন উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বচ্চ পদে থেকে আওয়ামী লীগের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা সহ এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর আমলে নিজেদের উন্নয়ন করেছে। যার কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী সমর্থকদের কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। তানোরে আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকলেও এখানে বিএনপির দাপট ছিল চলমান। অথচ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও গোলাম রাব্বানী ও মামুন কখনো আওয়ামী লীগের সুদিনে দলকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে একতাবদ্ধ সৃষ্টি করতে পারেনি। বরং তাঁরা দুইজন এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিএনপি জামাতের সাথে আঁতাত করে চলেছেন। যা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাদের মুখোশ উম্মচন হয়। যখন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরপর দুইবার আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী গোলাম রাব্বানীকে করা হয়। তখন তার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন দলের নির্দেশ অমন্য করে তার সভাপতির বিরুদ্ধে সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোট করেন। যায় ফলে আওয়ামী লীগ বার বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির কাছে পরাজিত হন। তবুও আব্দুল্লাহ আল মামুন কে মাফ করে আওয়ামী লীগের পদ সাধারণ সম্পাদক বহাল রাখেন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। তার পরেও সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক মামুনের মনের মিল না থাকায় আরো চরম মানবেতর দূর্দিনে পড়তে হয়েছিল আওয়ামী লীগ কে। তারা দুইজন নিজেদের অনুসারী নিয়ে যে যার মত আওয়ামী লীগের সংগঠন পরিচালনা করতো। যার ফলে তানোরে দিন দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি শুন্যের কোটায় নেমে যাচ্ছিলো। ঠিক তখনই বিশাল বটগাছ হয়ে আওয়ামী লীগের পাশে দাঁড়ালেন যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না। চেয়ারম্যান ময়না যুবলীগের সংগঠনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করে দিনের পর দিন উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এক পান্তর থেকে আরেক পান্তর ছুটে চলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় ও সভা সমাবেশ করে আওয়ামী লীগকে একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেছেন। তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খাদেমুন নবী চৌধুরী বাবু বলেন, আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে নেতাকর্মীদের দূরত্ব সৃষ্টি করে গোলাম রাব্বানী ও মামুন সব সুবিধা ভোগ করেছেন। এমনকি রাব্বানী মামুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেউ কাউকে ছাড় দেয়নি। দল থেকে গোলাম রাব্বানীকে মনোনয়ন দেয়া হলে মামুন আওয়ামী লীগের বিদ্রহী সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করেন। যে মামুনের জন্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গোলাম রাব্বানী ফেল করেছে অথচ আজ সেই মামুনের সাথে বুক মিলিয়ে গোলাম রাব্বানী এমপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বিরোধিতা করেছেন বলে তিনি আরো বলেন, আসলে এরা দুইজন দাঁড়াস সাপ। যে তাদের দুধ কলা দিয়ে পুশেছেন উল্টো তাকেই ছোবল দিয়েছে গোলাম রাব্বানী ও মামুন। এদের কোন লজ্জা নেই। এরা নিজেদের স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে পারে। এরাও এক প্রকার জাতীয় বেঈমান,খন্দকার মোশতাকের সহযোগী ভাই। তাই এদের মিথ্যা কথাই কেউ কান দিবেন না। আপনারা তানোর উপজেলা বাসী বলেন, যে কিনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুইবার ফেল করেন সে হবে এমপি মন্ত্রী। আসলে এরা রাজনীতি করতে আসেনি। এরা রাজনীতির নামে পেট নীতি করতে এসেছে বলে তিনি জনসাধারণের উদ্দেশ্য বলেন, এদের এখুনি প্রতিহত করুন আর আপনারা আওয়ামী লীগের সাথেই থাকুন বলে জানান। তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না বলেন, আমি যুবলীগে আসার পর থেকে আমার সমস্ত মেধা যোগ্যতা দিয়ে আওয়ামী লীগের সংগঠনকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে পরিনত করার চেষ্টা করে গেছি। যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলো তখন থেকে আওয়ামী লীগ ছাড়া আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের দল গুলোকে কোন সুযোগ সুবিধা না দিয়ে গোলাম রাব্বানী ও মামুন সব সুবিধা ভোগ করে আওয়ামী লীগের দলকে পরিচালিত করেছেন। তবুও আমি হাল ছাড়িনি। শত কষ্টের মধ্যে আমি আমার যুবলীগ কে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি জামাতের সাথে রাজপথে লড়াই করে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আজ আল্লাহ তায়ালা আমাকে হয়তো সেই ধর্যের ফল হিসেবে সম্মান দিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন উপজেলা বাসীর পাশে থেকে তাদের সেবা করে যেতে চাই। আজ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে বলে দেশের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারছে। নয়তো বিএনপি জামাত ক্ষমতায় থাকলে এদেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে পাচার করতো। বিএনপি জামাত আগুন সন্ত্রাস। আজ এদেশের জনগণ জামাত বিএনপিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে কোন বেঈমান মিজাফরের জায়গা নেই আর ভবিষ্যতেও হবেনা।

সর্বশেষ সংবাদ