পাঠদান ব্যহত হওয়ার আশংকা শাজাহানপুরে জাতীয় মহাসড়কে বিলীন হচ্ছে ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: ঢাকা-বগুড়া জাতীয় মাহাসড়ক সম্প্রসারণের ফলে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ের কোনটি সম্পূর্ণ আবার কোনটি আংশিক যুক্ত হচ্ছে মহাসড়কে। ফলে বিদ্যালয় সমূহে পাঠদান এবং প্রশাসনিক কাজ ব্যহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
বিদ্যালয় গুলো হচ্ছে রহিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাজাপুর ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়, আড়িয়া-রহিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আড়িয়া রহিমাবাদ সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়। শাজাহানপুর উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাগেছে, ঢাকা-বগুড়া জাতীয় মহাসড়ক সম্প্রসারণ কাজ শুরু হওয়ায় মহাসড়ক সংলগ্ন উপরোক্ত ৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে রহিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ অংশ অধিগ্রহণের আওতায় পড়েছে। ফলে বিদ্যালয়টির ৩টি একাডেমিক ভবন, ৪টি টয়লেট, ২টি গেট, বাউন্ডারী ওয়াল ভাঙ্গা পড়বে। এছাড়া সাজাপুর ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী জানিয়েছেন, তার বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩ শতক জমি অধিগ্রহণের আওতায় পড়েছে। ফলে বিদ্যালয়টির দ্বিতল একাডেমিক ভবন ও বাউন্ডারী ওয়াল ভাঙ্গা পড়বে। বেতগাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নামজা সুলতানা জানিয়েছেন, তার বিদ্যালয়ের পৌঁনে ৪ শতক জমি অধিগ্রহণের আওতায় পড়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ৩টি এবং পুরাতন একাডেমিক ভবনের ২টি শ্রেণি কক্ষ, ১টি টয়লেট ভাঙ্গা পড়বে। অবশিষ্ট জায়গায় নতুন করে একাডেমিক ভবন নির্মিত হলে খেলার মাঠ থাকবে না। এসব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ জানিয়েছেন, একাডেমিক ভবন পুন:নির্মাণ হওয়ার আগে বর্তমান ভবন ভেঙ্গে ফেলা হলে বিদ্যালয়ের পাঠদান এবং প্রশাসনিক কাজ দু’টোই ব্যহত হবে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সচেতন মহলের আহ্বান, বর্তমান ভবন/স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার আগেই যেন নতুন করে সেটি নির্মাণ করা হয়।
অধিগ্রহণের আওতায় পড়া এসব বিদ্যালয়ের ভবন/স্থাপনা সরকারি অর্থায়নেই পুন:নির্মাণ কা হবে উল্লেখ করে শাজাহানপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার কামরুল হাসান জানিয়েছেন, জাতীয় মাহাসড়ের সম্প্রসারণ কাজের জন্য অধিগ্রহণের আওতাভূক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ যাতে ব্যহত না হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।