হিলি চারমাথা বকুলতলা পাখির কলরবে মুগ্ধ চারদিক

ছামিউল ইসলাম আরিফ,হিলি প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হিলিতে পাখিগুলোর কলরবে যেন মুগ্ধ চারদিক। অনেকেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই শুনেন এই চড়ুই পাখিদের কিচিরমিচির গল্প অথবা ঝগড়া। এক জায়গায় শত শত চড়ুই পাখি দেখে যেন মনটা জুড়ে যায়।
এমনি একটি দৃশ্য চোখে পড়ে হিলি স্থলবন্দর চারমাথা মোড়ে। যানবাবহনের শব্দের মাঝে শুনা গেলো একটি মিষ্টি শব্দ। মাথা উচু করে দেখাতেই চোখে পড়লো হাজারো চড়ুই পাখির সমাগম।
রাস্তার ধারে বকুল গাছের উপরে বসে আছে হাজারো পাখি। এতো যানবাহনের শব্দের মধ্যেও শোনা যাচ্ছে পাখিগুলো কিচির-মিচিড় শব্দ। কেউবা বসেছে তারের উপরে কেউবা উড়ে গিয়ে বসছেন বিভিন্ন গাছের ডালে উপরে। হাজারো পাখির কিচির-মিচিরে মুগ্ধ হয়ে উঠেছে পুরো চারমাথা ব্যস্ত মোড়ে।
পথচারীরা বলেন, এতোগুলো চড়ুই পাখি একসাথে কিচির-মিচির করছে। আসলেই বিষয়টি অনেক সুন্দর । পাখিগুলো দেখতে অনেক ভালো লাগছে।
হাকিমপুর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান তৌহিদ বলেন, প্রতিদিন বিকেলেই এই সময় চারমাথা মোড়ে বকুল গাছগুলোতে পাখির ডালে ডালে ও পাখির কিচির-মিচির শব্দ জানিয়ে দেয় তাদের উপস্থিতি। সংখ্যায় প্রায় কয়েক হাজারের মতো হবে। চারপাশের তার ও গাছগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে বসে তারা। বিকেল থেকে পরের দিন ভোর পর্যন্ত থাকেন এই পাখিগুলো। ভোর হলেই বেড়িয়ে পরে খাবারের লক্ষে। আবরো ফিরে আসে বিকেলে। যখন ফিরে আসে তখনি তাদের কিচির-মিচিরে মুখরিত হয়ে উঠে এলাকাটি।
হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন, প্রতি বছরে শেষে ডিসেম্বরে শুরুতে পাখিগুলো ঝাঁক বেঁধে ফিরে আসে চারমাথা বকুলফুলের গাছে ডালে ডালে পাখিগুলো দেখতে অনেক ভালোই লাগে। বিশেষ করে যখন ঝাঁক বেঁধে উড়ার দৃশ্য দেখি তখন অনেক বেশি ভালো লাগে। পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রতিদিন তাদের দেখভাল করা হয়। তাদের কেউ বিরক্ত না করে। সে খেয়াল রাখা হয়।
হাকিমপুর উপজেলার চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ হারুন বলেন, এই চড়ুই পাখিগুলো জনবসতির মধ্যে থাকতে অনেক বেশি ভালোবাসে। যার কারনে এদের বলা হয় স্প্যারো। যেহেতু এই পাখিগুলো জনবসতির মধ্যে থাকতে ভালোবাসে সেজন্য কেউ যাতে এই পাখিদের মারার চেষ্টা না করেন সকলের কাছে এমনিই আহবান জানিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ