এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর ১২বছরে বদলে দিয়েছে তানোরের উন্নয়ন চিত্র

সারোয়ার হোসেন,তানোর(রাজশাহী) প্রতিনিধি: আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে থেমে নেই দেশের উন্নয়নে ছুটে চলা আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরা। যার ফলে প্রায় একযোগে বদলে গেছে বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দ্রূত উন্নয়ন হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজশাহী -১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রচেষ্টায় যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে তা শুধু একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারের জন্যেই হয়েছে। একসময় তানোরে ছিলোনা তেমন কোন ভালো মানের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। ছিলোনা ছেলে মেয়েদের পোড়া শোনার জন্য উন্নত মানের স্কুল কলেজ মাদ্রাসা,বাজার হাটে যাওয়ার জন্য পাকা রাস্তা। অথচ আজ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী তার কঠোর প্রচেষ্টায় ধিরে ধিরে বদলে দিয়েছে তানোরের উন্নয়ন চিত্র। এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রচেষ্টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ শয্যা থেকে ২৫০শয্যার দুইটি নতুন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে করে মেডিকেলে আসা রোগীর চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়ে বারান্দায় বা ঘরের মেঝেতে থাকতে হচ্ছেনা। বিশেষ করে তানোরের কৃষকের কথা চিন্তা করে বর্তমানে তানোরে নির্মাণ করা হয়েছে ৫টি কোল্ড স্টোরেজ। যাতে করে আলু চাষিরা তাদের আলু সংরক্ষণ করতে পারেন। এছাড়াও উপজেলার ২টি খাদ্য গোডাউনে বাড়ানো হয়েছে বেশকটি গুদাম ঘর। কৃষকরা যেন বেশি করে গোডাউনে ধান সংগ্রহ করে রাখতে পারে। এর ফলে তানোরের কৃষক ব্যাপক হারে ধান ও আলু চাষ করে সময়মত সরকারি গোডাউনে মজুদ রেখে ভালো দামে বিক্রি করার সুবিধা ভোগ করেছেন। এসবের পাশাপাশি এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী তার ১২বছরে তানোর উপজেলার গ্রামীণ জনপদের রাস্তা ঘাট বদলে দিতে সক্ষম হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী উপজেলার যত সরকারি – বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা আছে তা সবগুলো একযোগে কাঁচা থেকে পাকা বিল্ডিংয়ে রুপ দিয়েছেন। নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করেছেন। উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের পাকা বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন। উপজেলা ক্যাম্পাসের ভেতর নির্মাণ করা হচ্ছে কোটি টাকা ব্যায়ে ডিজিটাল মসজিদ। হচ্ছে তানোর পৌর এলাকার কাশিমবাজার মোড়ে এমপির নিজস্ব জায়গার উপরে সরকারি কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ। যেখানে নিজ এলাকার ছেলে মেয়ে ছাড়াও বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থীরা লেখা পড়া করার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে করে একদিকে যেমন নিজ এলাকার ছেলে মেয়েরা সুশিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠবে। অন্যদিকে তেমন এলাকার ব্যবসা বানিজ্যের বিপ্লব ঘটবে। শুধু তাই নয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর ১২ বছরে উপজেলার গ্রামীণ জনপদের কাঁচা রাস্তা প্রায় সবগুলোই পাকা রাস্তা নির্মাণ করেছেন। যা এর আগে কোন সরকারের জনপ্রতিনিধি করতে পারেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী করতে সক্ষম হয়েছেন। আজ সারাদেশের মধ্যে ১০ জেলার ১০ উপজেলার ১০গ্রাম করা হবে মডেল গ্রাম যার মধ্যে রয়েছে তানোর উপজেলা। আর এই সরকারের উন্নয়ন গ্রাম হবে শহর যা শুধু এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য এ প্রোজেক্ট তানোর উপজেলা বাসী পেয়েছে। এতে করে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য দ্রুত গতিতে বদলে গেছে তানোর উপজেলার গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো। রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, আমি ব্যবসা বানিজ্য ছেড়ে ২০০১সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করে এমপি নির্বাচিত হয়েছি। আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর আমার সমস্ত মেধা যোগ্যতা দিয়ে আগে তানোর-গোদাগাড়ীর মানোন্নয়ন করতে যা যা করনীয় সেইদিকে ছুটে গিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে আমার সংসদীয় এলাকা বরেন্দ্র অঞ্চল হওয়ায় আগে কৃষকের জন্য কি ভাবে উন্নয়ন করা সম্ভব সেইদিকে নজর দিয়ে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য তানোরে ৫টি কোল্ড স্টোরেজ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত ধান সংরক্ষণের জন্য নতুন গোডাউন ঘরের ব্যবস্থা করেছি। আজ আওয়ামী লীগের আমলে আমি পরপর ৩বার এমপি নির্বাচিত হয়ে একযোগে উপজেলার যত কাঁচা স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ছিলো তা সবগুলো ৪তলা ৫তলা বিল্ডিংয়ে পরিনত করেছি। যা শুধু একমাত্র আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের আমলে উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে আরো ব্যাপক উন্নয়ন কাজ অব্যহত রয়েছে। আগামীতে তানোর-গোদাগাড়ী দেশের মধ্যে অন্যতম মডেল উপজেলাতে রুপান্তর হবে ইনশাআল্লাহ বলে তিনি জানান।