নন্দীগ্রামে বটগাছ বিলুপ্তির পথে

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) থেকে নাজমুল হুদা সরকারঃ বগুড়ার নন্দীগ্রামে বটগাছ এখন বিলুপ্তির পথে। যে বটগাছ পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় অনেকটা সহায়ক ছিল। সেই বটগাছ আর দেখা মিলছেনা। প্রাচীনকাল থেকেই শহরে গ্রামে হাট-বাজারে রাস্তার ধারে মাঠে-ঘাটে ও নদীর পাড়ে অনেক বটগাছ ছিল। এখন আর তেমন বটগাছ দেখা মিলছেনা। তার কারণ বটগাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। বটগাছ কেটে ফেলা হলেও নতুন করে বটগাছের চারা রোপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। সে কারণেই বটগাছ অনেকটা বিলপ্তির পথে রয়েছে। নন্দীগ্রাম উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার বটগাছ ছিল। যা এখন আর দেখা মিলেনা। নন্দীগ্রাম সদরে হাট-বাজারে বড় একটি বটগাছ ছিল। সেই বটগাছের ছাঁয়ায় হাট-বাজার বসতো। হাট-বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তিতে হাট-বাজার করতে পাড়তো। বর্তমানে বটগাছটি না থাকায় হাট-বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়। শুধু নন্দীগ্রাম হাট-বাজারে নয় এমনিভাবে নন্দীগ্রাম উপজেলার অনেক হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানের অসংখ্য বটগাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সে কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ ভারসাম্য অনেকটা হুমকির মুখে পড়েছে। বন বিভাগ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন জাতের গাছের চারা রোপন করছে। সেই সব চারা রোপনের পাশাপাশি যদি বটগাছের চারা রোপন করা হতো তাহলে আগামী দিনে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখতো। বটগাছের তলায় মানুষ অনেকটা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়ে বিশ্রাম করতো। তাও আর করার সুযোগ নেই। এছাড়াও বটগাছের জীব-প্রকৃতিক প্রাণি বাসা বাঁধতো। বটগাছ না থাকায় জীব প্রকৃতিক প্রাণিও বাসা বাঁধতে পারছেনা। এতে অনেক জীব প্রকৃতিক প্রাণি বিলপ্তি হতে চলেছে। তাই বটগাছের চারা রোপনের জন্য গুরুত্ব দেয়া দরকার।