প্রাকৃতিক নৈসর্গিক দৃশ্যের মাঝে বগুড়া ওয়াইএমসিএ’র প্রাণের মিলন মেলা

প্রকৃতি স্রষ্টার এক বিশাল অবদান। এ অবদানকে মনে প্রানে লালনের মধ্যদিয়ে গত শুক্রবার বগুড়া ওয়াইএমসিএ সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলের পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে বগুড়ার সান্তাহারে ফারিস্তা কমিউনিটি সেন্টার ও পার্কে প্রানের এক মিলন মেলায় মিলিত হন। এ কমিউনিটি সেন্টার ও পার্কে নিত্য নতুন, সাজ-সজ্জা, আলোকচ্ছটা, দৃষ্টিনন্দন না থাকলেও মনের মাধুরিতে খুঁজে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক নৈসর্গিক দৃশ্যের। মেঠো পথে পুরো পার্ক ঘুরে বেড়ানো, লতা-পাতা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পুরো পার্ক জুড়ে, পুরানো আমলের পুকুর, পুকুরের মাঝখানে বসার জায়গা যেখানে জ্যোৎস্না রাতে জোনাকির আলোয় তারা মেলার সাথে গল্প করা যাবে ও বিভিন্ন জীব-জন্তুর ভাস্কার্য। গাছের ছায়া, সূর্যের আলো, গরমে অতিষ্ট হলে সুইমিং পুলে সাঁতার কাটানো, পুকুরে মাছের সমারোহ, গাছ-পালা, ফল-ফুল সব মিলিয়ে প্রানের মিলন মেলা ও পিকনিট স্পট হিসেবে উপযুক্ত স্থান। প্রকৃতির ঘাটতি যেখানে হৃদয়ের অতৃপ্তি সেখানে। এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে সেকালের প্রকৃতিকেই আঁকড়ে ধরে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। ঘুরে ফিরে খাবার খেয়ে লটারি, গান-বাজনা, বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়াসহ আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে সকলে। কিছু সময়ের জন্য সকলে মিলে সাইলো পরিদর্শনে যাওয়া হয় ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতার জন্য। যা শুধু দৃষ্টিনন্দনই নয় শেখার রয়েছে অনেক কিছু। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের আরো একটি বড় ধরনের দৃষ্টান্ত। লন্ডন-ইউরোপকেও হার মানিয়েছে এ খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে সাইলো নামক প্রতিষ্ঠানটি। অজানাকে জানার পাশাপাশি মন জুড়ানো দৃশ্যে মুগ্ধ সকলেই। প্রাণের মিলন মেলায় দ্বিতল বাসযোগে যাবার সময় সবুজের সমারোহে মনটা জুড়ে যায়। হৃদয়ের পরিপূর্ণতা নিয়ে ফিরে আসি আমাদের প্রিয় বগুড়া ওয়াইএমসিএ প্রতিষ্ঠানে। লটারি খেলা-ধুলা ও প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন সংস্থার উপদেষ্টা মি. দিলীপ মারান্ডি, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যক্ষ রবার্ট রবিন মারান্ডি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিউল আলম নিটুসহ প্রমুখ।