গাজার ৫০টি স্কুল ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

অব্যাহত হামলায় গাজার ৫০টি স্কুল ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেনের মতে, এর ফলে প্রায় ৪২ হাজার শিক্ষার্থীর স্কুলজীবন হুমকির মধ্যে পড়েছে।

অন্যদিকে ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজার রকেট হামলায় ইসরায়েলে তিনটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কো–অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ওসিএইচএ) মুখপাত্র ইয়েন্স লেয়ার্কে বলেন, গাজায় জাতিসংঘের পরিচালিত স্কুল রয়েছে ৫৮টি। এতে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৪৭ হাজার ফিলিস্তিনি।

তিনি জানান, ইসরায়েলি বিমান হামলার তালিকায় হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রও রয়েছে। এই হামলার কারণে সুপেয় পানি ও রান্নার কাজে ব্যবহৃত জ্বালানির সংকটে পড়েছেন প্রায় আড়াই লাখ গাজাবাসী।

লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনের আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে, তা যুদ্ধাপরাধের সমান।

অবশ্য ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী দাবি করছে, তারা সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের তারা টার্গেট করছে না।

অথচ স্থানীয় সময় গত ১০ মে থেকে বুধবার (১৯ মে) সকাল পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ২২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে ৬৫ জনই শিশু। দুদিন আগে ‍সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, গাজায় প্রতি ঘণ্টায় তিন শিশু হতাহত হচ্ছে।