বগুড়ায় খ্রীষ্টান পরিবারের পাশে জেলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রিংকি

কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবে ও লকডাউনের কবলে পড়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোটা দেশে অসহায়, দুঃস্থ পরিবারে সরকারি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। সেই সাথে তিনি দেশের ধনবান, সামর্থ্যবান ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে এ সমস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বলেছেন। এরই অংশ হিসেবে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রুমানা আজিজ রিংকি করোনাকালীন সময়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কর্মহীন পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানুষ মানুষের জন্য মনে ধারন, বাহন ও লালনের মধ্য দিয়ে শনিবার সকালে বগুড়া ওয়াইএমসিএ ক্যাম্পাসে নিজস্ব উদ্যোগে অর্ধ শতাধিক খ্রীষ্টান পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০কেজি করে চাল বিতরণ করেন। চাল বিতরণকালে তিনি বলেন, সমাজবদ্ধ মানুষ নানা সম্প্রদায়ে বিভক্ত। কিন্তু সকল ধর্মের মুল কথা প্রেম, মৈত্রি, শান্তি, সম্প্রীতি। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। স্রষ্টার সব সৃষ্টির মধ্যে মানুষ কেবল সচেতনতায়, বুদ্ধিমত্তায় স্বতন্ত্র ও শ্রেষ্ঠ। এ শ্রেষ্ঠকে বজায় রাখতে হলে মানুষকে অবশ্যই বিবেকবান ও মানবতাবাদি হতে হবে। ধর্মের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি না করে প্রত্যেক মানুষকে ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি মানবসেবা প্রত্যেক মানুষেরই এক সৎ ও মহৎ হৃদয়বৃত্তি। এই হৃদয়বৃত্তি জাগরনই মনুষ্যত্বের পরিচায়ক। নিঃস্বার্থ মানবসেবা এক দুর্লভ গুণ। মানুষের জীবনে যদি মহৎ সেবা পূর্ণ দীক্ষা থাকে, যদি দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে সেই মহাপ্রানতা অঙ্গীকার তবে এ ধুলার ধরনীতে একদিন প্রেমের দেবতার হবে অভিষেক। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটিয়েছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে হিন্দু-বৌদ্ধ, খৃষ্টান সকলে মিলে মিশে এ দেশে বসবাস করে আসছে ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যেকোন ধর্মীয় উৎসব একসাথে উৎসবমুখর ও প্রানবন্ত করে তুলছে। সেই সাথে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানুষ হিসেবে অসহায় মানুষের পাশে আমাদের প্রত্যেককেরই দাঁড়ানো উচিৎ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া ওয়াইএমসিএ এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যক্ষ রবার্ট রবিন মারান্ডি, হৃদয় মাহমুদ, অরুপ কুমার, সাদমান আহম্মেদসহ প্রমুখ।

 

সর্বশেষ সংবাদ