গাবতলীতে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে ১০ মাইল এলাকায় প্রকাশ্যে নদী থেকে বালু উঠছে

আমিনুল আকন্দ, গাবতলীঃ বগুড়ার গাবতলীতে জনসাধারনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দীর্ঘদিন ধরে বালিয়াদীঘি ইউনিয়নের ১০ মাইল নামকস্থানে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্যে সরকারি জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করে চলেছে কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি। এর ফলে ফসলী জমি, রাস্তা ভেঙ্গে খাদে সৃষ্টি হচ্ছে। চলাচল করতে না পারায় সাধারন মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। গাবতলী উপজেলার বালিয়াদীঘি ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে গেছে চন্দনবাইশা সড়ক। এই সড়কের পার্শ্বে অবস্থিত ঐতিহাসিক তরনীহাট। গাবতলী চন্দনবাইশা পাকা সড়কের ১০ মাইল নামক স্থানে স্থানীয় বাঙ্গালীর শাখা নদী থেকে এলাকার কতিপয় বালু দস্যুরা দিন রাত শ্যালো মেশিনের ড্রেজার দ্বারা ভূ-গর্ভস্থ্য থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে চলেছে। ইতিপুর্বে স্থানীয় প্রশাসন সেখানে মোবাইল কোট পরিচালনা করে বালু ও মেশিন জব্দ করে নিলামে বিক্রি করেছিল। তাতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি ঐসকল অবৈধবালু উত্তোলন কারীরা। উপজেলা প্রশাসনকে তথা, প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে আবারো সেখানে নদীর ভূ-গর্ভস্থ্য থেকে দিন রাত প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করে চলেছে। বালু উত্তোলননের ফলে নদীর পাড়সহ ফসলি জমি ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে। এছাড়াও ১০ মাইল থেকে দুর্গাহাটাগামী একমাত্র কাঁচা রাস্তার উপর বালুর স্তুুপ রাখা ও বালু বহনের ট্রাক যাতায়াত করায় রাস্তা ভেঙ্গে কাঁদা ও খাদে পরিনত হয়েছে। সাধারন জনগন হাট-বাজার যেতে পারছেনা, মাঠ থেকে কৃষকেরা ফসল আনতে পারছেনা। এলাকাবাসী বালু দস্যুদের ভয়ে কোন কথা বলতে পারেনা। কথা বললেই রাস্তায় বাঁশে খুঁটি পুতিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। বালু দস্যূদের খুঁটির জোর কোথায় এ প্রশ্ন এখন সাধারন মানুষের মুখে মুখে। তারা প্রশাসনকে তোয়াক্কা করছে না। এলাকার কৃষকসহ সাধারন মানুষের প্রশ্ন তবে কি বন্ধ হবেনা, বালিয়াদীঘি ইউনিয়নের ১০ মাইল এলাকার অবৈধ বালু উত্তোলন? উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে। গাবতলীতে কোন প্রকার বালু মহল নেই। যারাই নদী, ব্যাক্তি মালিকানা, খাস জমি ও ভূ-গর্ভস্থ্য থেকে বালু উত্তোলন করুক না কেন, তা অবৈধ ও আইনানত দন্ডনিয় অপরাধ।

 

সর্বশেষ সংবাদ