শৈলকুপায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে মাদকসেবীদের আসর

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে মাদকসেবীদের আসর বসে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রধান মস্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘর পেয়ে, খুশিতে আত্মহারা হলাম কিন্তু এখন দিন কাটছে চরম নিরাপত্তাহীনতায় এমনটাই বলছিলেন ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার দুধসর গ্রামে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাওয়া চায়না বেগম। এই অবস্থা বিরাজ করছে চলতি বছরে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ভৃমিহীন ও গৃহহীন প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া ঘরগুলোতে। সরেজমিনে দেখা যায়, সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ১২টি ঘর। উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক যাচাই বাছাই পূর্বক এই ঘরগুলো ১২টি অসহায় পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমান এখানে বসবাস করছে ৩টি পরিবার। আর অন্যান্য ঘরগুলো ফাঁকা পড়ে আছে অযত্ন ও অবহেলায়। এইঘরে বসবাসকারী সীমা খাতুন বলেন, এখানে বসবাস করার মত কোন পরিবেশ নেই। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে এখানে গাঁজা ও ইয়াবা সেবন শুরু হয়ে যাই, সেই সাথে চলে মাদক বেঁচাকেনা। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করছি। রাতে একটুও ঘুম আসে না ,সব সময় আতংকের মধ্যে থাকতে হয়। আরেক বাসিন্দা খয়বার আলী বলেন, এখানে মাদকসেবীদের অত্যাচারে বসবাসের উপায় নেই। অনেকেই ঘর বরাদ্দ পেয়েও ভয়ে আসছে না। এব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান সোয়েব আলী জোয়ারদ্দার জানান, এখানে জমুনা রানী নামের এক বধিবার নামে ঘর বরাদ্ধ দেওয়া আছে, সেতার ছেলে রবিন কুমার কে নিয়ে বসবাস করে তবে রবিন মাদকের সাথে জড়িত থাকায় কয়েক বার জেল খেটেছে, তবে অভিযোগ পেয়ে আমি বলেছি মাদক সেবন কারী রবিন এখানে থাকতে পারবে না, তার মা র নামে যেহেতু ঘর বরাদ্ধ সেই এখানে বসবাস করবে। কোন মাদক সেবন অথবা বিক্রেতা এসে আসর জমালে তাদেরকে আটক করে আমাকে খবর দিতে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা লিজা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে মাদকসেবীদের আড্ডা এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। এর আগে আমি দুধসর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে বলেছিলাম খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। ্ঈদের জন্য অনেকেই ঘরে উঠেনি তবে পর্যায়ক্রমে সবাই ঘরে উঠবে বলে আমি মনে করি। সবাইকে সাধ্যমত দেখভাল করা হবে কোন মাদকসেবীদের ছাড় দেওয়া হবে না।