অল্পের জন্য বেঁচে যান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পরিণত হয় এক মৃত্যুপুরীতে:-জলি

বগুড়া জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভানেত্রী শামীমা আকতার জলি বলেছেন, সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি মিছিলের আগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রাকমঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা শেষ হওয়ার পরপরই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা শুরু হয়। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে থাকে একের পর এক গ্রেনেড। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুহুর্মুহু ১৩টি গ্রেনেড বিস্ফোরণের বীভৎসতায় মুহূর্তেই মানুষের রক্ত-মাংসের স্তূপে পরিণত হয় সমাবেশস্থল। অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পরিণত হয় এক মৃত্যুপুরীতে। স্পিøনটারের আঘাতে মানুষের হাত-পাসহ বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে। সভামঞ্চ ট্রাকের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় রক্তাক্ত নিথর দেহ। লাশ আর রক্তে ভেসে যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর সামনের পিচঢালা পথ। নিহত-আহতদের জুতা-স্যান্ডেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। ভেসে আসে শত শত মানুষের গগনবিদারী আর্তচিৎকার। বেঁচে থাকার প্রাণপণ চেষ্টারত মুমূর্ষুদের কাতর-আর্তনাদসহ অবর্ণনীয় মর্মান্তিক সেই দৃশ্য।
২১ আগস্টের রক্তাক্ত ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১৬ জন। পরে সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪ জনে।

তালহা ক্বওমিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথাগুলো বলেন।  এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি ফিরোজা আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তার, চস্পা বেগমসহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ।  শেষে দেশ ও জাতির কল্যান কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।