ওমিক্রন: ভারতের উচ্চ-ঝুঁকির তালিকায় বাংলাদেশও

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ইস্যুতে ১২টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে উচ্চ-ঝুঁকির তালিকা তৈরি করেছে ভারত। তালিকায় অন্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের নামও এসেছে। এক প্রতিবেদনে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারতে যাওয়ার পর নিজ খরচে কোভিড-১৯ পরীক্ষার নুমনা দিতে হবে যাত্রীদের। পরীক্ষার ফল আসার আগ পর্যন্ত তাদের বিমানবন্দরেই অবস্থান করতে হবে, বের হওয়ার কোনো সুযোগ থাকছে না। যাদের নেগেটিভ আসবে, কেবল তারাই ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন। এ তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও অন্য দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল বতসোয়ানা, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইসরায়েল ও চীন রয়েছে। সোমবার (২৯ নভেম্বর) ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত নির্দেশনা অনুসারে, ভারতে পা রাখার পর উচ্চ-ঝুঁকির দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষায় নেগেটিভ হলে সাত দিন হোমকোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে, আটদিনের মাথায় আবার তাদের পরীক্ষা করতে হবে। নেগেটিভ ফলার আসার পর আরও সাতদিন যাত্রীদের নিজেদের স্বাস্থ্যের ওপর আত্ম-পর্যালোচনা করতে হবে। কিন্তু পজিটিভ আসলে কঠোর আইসোলেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তারা ওমিক্রমেন আক্রান্ত হয়েছেন কি না; তা নিশ্চিত করতে তাদের জেনোম পরীক্ষা করা হবে। আইসোলেশনের পাশাপাশি সংক্রমণের উৎস অনুসন্ধানসহ সব ধরনের রীতিনীতি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে এসব রোগীদের। যারা সমুদ্র ও স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে ঢুকবেন, তাদেরও একই ধরনের নির্দেশনা মানতে হবে। তবে এ রকম যাত্রীদের জন্য বর্তমানে কোনো অনলাইন নিবন্ধনের ব্যবস্থা নেই। সমুদ্র ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের একটি স্বীকারোক্তিমূলক ফরম জমা দিতে হবে। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের রেহাই দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ভারতে যাওয়ার পর তাদের শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে নির্ধারিত রীতিনীতি অনুসারে পরীক্ষা ও চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।