বঙ্গবন্ধু ঘোষিত প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নে কৃষকদের হয়রানির অবসান ঘটলো:-ববি

বগুড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু ওবায়দুল হাসান ববি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ঘোষিত প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নে কৃষকদের হয়রানির অবসান ঘটলো। মাটি, পানি এবং মানব সম্পদ এ তিনটিই হচ্ছে এ দেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। এ তিন সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহারের ওপরেই নির্ভর করে বাংলাদেশর ভবিষ্যৎ আর্থ সামাজিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি। সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা এ দেশের মাঠ প্রান্তরে যে কৃষি দ্রব্য উৎপন্ন হয় তার সঙ্গে সমগ্র দেশ বাসির ভাগ্য জড়িত।
অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হলে সর্বাগ্রে চাই কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব। কৃষি কাজের মহানায়ক কৃষকের জীবন পরিবর্তন করতে হবে। কৃষকের জীবনমান পরিবর্তনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু ঘোষিত প্রজ্ঞাপনের আলোকে ১-২৫বিঘা জমির খাজনা মওকুফ বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমানে বগুড়া পৌরসভাসহ ১২টি উপজেলার কৃষকদের প্রজ্ঞাপনের নীতিমালা অনুসরন করে কৃষি জমির খাজনা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক। এর মাধ্যমে কৃষকদের বর্ধিতহারে ভূমিকর প্রদানের অবসান ঘটলো।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি বিদ্যায় উচ্চ শিক্ষাপ্রাপ্ত কৃষি কর্মীদের দিয়ে গ্রামে গ্রামে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতির সাথে পরিচয় করে দিচ্ছেন। দেশের জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদন হওয়ায় দেশ খাদ্যে স্বংয়সম্পন্ন হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভা কৃষক উন্নয়ন সমবায় সমিতির আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার বগুড়া শহরতলী সুলতানগঞ্জ হাইস্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল খালিকের সভাপতিত্বে ও কৃষক উন্নয়ন ও অধিকার বাস্তবায়ন সমিতির যুগ্ম আহবায়ক ডা. আব্দুল মজিদের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ১৩নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আল মামুন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, রাজু ভূইয়া, মতিউর রহমান, ইয়াসিন আলী, আজিজুর রহমান মিলন, আবু সাঈদ সরদার পাপ্পু, আতোয়ার রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, রমজান আলী, খায়ের আলী, হায়দার আলী, জিল্লুর, শোভন, তোরাব আলী প্রমুখ।
দীর্ঘ ৯ বছরের আন্দোলনের ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ সুবিধা অবশেষে বাস্তবায়ন হলো এবং কৃষকরা প্রজ্ঞাপনের নীতিমালা অনুসরন করে খাজনা প্রদান করলো।
শেষে দেশ জাতির কল্যানে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।