নতুন রাষ্ট্রকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে-মজিবর রহমান মজনু

স্টাফ রিপোর্টার :বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মসমর্পণ শুরু করে। পাকিস্তানিরা তাদের পরাজয় বুঝতে পেরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান কবি, সাহিত্যিক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, চিত্রশিল্পী, সংগীতশিল্পী, সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মেধাবী মানুষদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।মঙ্গলবার সকাল ৮ টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের মেধাবী ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি জাতি যাতে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেই নীল নকশার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে পাকিস্তানের দোসররা। ষড়যন্ত্রকারী ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্বপ্ন- সাধ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু। জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ডঃ মকবুল হোসেন, প্রদীপ কুমার রায়, এডভোকেট তবিবর রহমান তবি, একেএম আসাদুর রহমান দুলু, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন নবাব, অধ্যক্ষ শাহাদত আলম ঝুনু, আল-রাজী জুয়েল, শফিকুল ইসলাম আক্কাস, নাসরিন রহমান সীমা, আনিসুজ্জামান মিন্টু, মাশরাফি হিরো, আনোয়ার পারভেজ রুবন, তপন চক্রবর্তী, এসএম শাহজাহান, খালেকুজ্জামান রাজা, আবুল কাশেম ফকির, আবু সেলিম, আতিকুর রহমান দুলু, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম দুলু, রাহুল গাজী, সাইফুল ইসলাম বুলবুল, আবু সুফিয়ান শফিক, আবু ওবায়দুল হাসান ববি, হেফাজত আর মীরা, আব্দুস সালাম, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, সাজেদুর রহমান শাহীন আলমগীর হোসেন স্বপন, সোহরাব হোসেন শানু, সাবরিনা সরকার পিংকি, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, এডভোকেট লাইজিন আরা লীনা, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, অসীম কুমার রায় ও রাশেদুজ্জামান রাজন।এর আগে সংগঠন কার্যালয়ের সামনে দলীয় ও সাংগঠনিক পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।