সেভ হিউম্যান লাইফের ঘর পেলেন তাড়াশের প্রতিবন্ধী দম্পতি

তাড়াশ প্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার হেমনগর গ্রামের অন্ধ হাফেজ সামসুজ্জান(সামসু)৷ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তিনি পার্শ্ববর্তী গ্রামের একটি মসজিদে ইমামতি করেন৷সেখান সামান্য কিছু সম্মানী পান যা দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব হয় না৷সংসারে স্ত্রী ও একটি নাবালক ছেলে ও শাশুরী রয়েছে৷তার  সামান্য উপার্জন দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব হয় না৷ জরাজীর্ণ একটা ভাঙা ঘরে  কষ্ট করে বসবাস করেন৷
বিষয়টি সেভ হিউম্যান লাইফের দৃষ্টিগোচর হলে  বুধবার সকাল ১১টায় টিনসেডের তৈরি একটি ১৬ হাত ঘর অত্র সংগঠনের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়কের মাধ্যমে অন্ধ হাফেজ সামসুজ্জামানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় ভিডিও কলের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ হিউম্যান লাইফের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাইফুল্লাহ আল হেলাল,
 উপস্থিত ছিলেন সেফ হিউম্যান লাইফের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ আব্দুল কাদের বিপ্লব, ও নাটোর জেলা সমন্বয় মোঃ বালিজুর রহমান বিপু  ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নতুন ঘর পেয়ে মহা খুশি প্রতিবন্ধী দম্পতি অন্ধ হাফেজ সামছুজ্জামান(সামসু) ও প্রতিবন্ধী নুরুনাহার বেগম।
অন্ধ হাফেজ সামছু বলেন, আমি আর আমার স্ত্রী দুইজনই চোখে দেখতে পাই নাহ তেমন, ঝড় কিম্বা একটু বৃষ্টি হলেই ছোট ছেলে ও বয়স্ক শ্বাশুড়ি নিয়ে খুব কষ্ট করতে হয়, যা প্রকাশ করার ভাষা আমার জানা নেই। এখন আর সেই কষ্ট করতে হবেনা। যতো দিন বেঁচে থাকবো ওনাদের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবো৷
স্ত্রী নুরুনাহার বেগম  কান্না করে বলেন, আগে ভাঙা ঘর থাকার কারণে শীত, ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব নীরবে সইতে হয়েছে। এখন একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারবো।
সেভ হিউম্যান লাইফ এর রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ আব্দুল কাদের বিপ্লব জানান, মানুষের মৌলিক অধিকারের একটা হলো বাসস্থান। একজন মানুষের প্রতিবন্ধীকতার কারনে অনেক কষ্টে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে হয়। আমরা আমাদের সাধ্য মতো চেষ্টা করেছি সামসুজ্জামান ভাইয়ের পাশে থাকার৷