শ্রমিক সংকটে তলিয়ে যাচ্ছে ধান ক্ষেত দিশেহারা কৃষক

মোঃ ফয়সাল আহমেদ,ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারী ডিমলা উপজেলার দশটি ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ মাঠে দু-চোখ যতদুর যায় ততদুর পর্যন্ত পাঁকা সোনালী  ধান ক্ষেত ।
রবিবার  (১৫মে) সারা দিন ব্যাপি সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায় ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়ন সুন্দর খাতা, ডিমলা ইউনিয়ন দঃ তিতপাড়া শেশার পোকর , খগাখড়িবাড়ী, পশ্চিম ছাতনাই, গয়াবাড়ী, ছোটখাতা, চাপানী, নাউতারাসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায় বিস্তৃর্ণ মাঠের পাঁকা ধান  আর ধান কিন্তু শ্রমিক সংকটের কারনে ঘরে তুলতে পারছে না কৃষক ধান । ফলন আশানুরুপ হলেও ধান কাটার আধুনিক যন্ত্র পর্যাপ্ত থাকলে ও জমিতে পানি থাকার কারনে ধান কাঠতে পারছে না কৃষক । ফলে এলাকায় শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষকরা  শ্রমিকের উপর ভরসা করতে হচ্ছে কৃষকদের ক্ষেতের ধান কাটার জন্য তবুও মিলছে না শ্রমিক । ঘনঘন বৃষ্টির ফলে ধান ক্ষেতে পানি জমাট বেঁধে আছে। জমির ধান কাটা নিয়ে বিপদে আছে  কৃষক। শ্রমিক সংকটের কারনে অনেক গৃহস্থ  পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটা শুরু করেছে।  আবহাওয়া অনুকুল না থাকায় শ্রমিক সংকটের কারনে কৃষকেরা বিঘা প্রতি (৩০ শতাংশ) জমির ধান কাটতে গুনতে হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত।  কিন্ত প্রতিমন ধানের দাম ৬০০থেকে ৬৫০ টাকা হওয়ায় কৃষকের দিশেহারা অবস্থায়।

নাউতারা ইউনিয়নের কৃষক দিনেশ রায় জানান, ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করেছি ধান ক্ষেতে হাটু পরিমান পানি।  যদি আকাশের বৃষ্টি হয় ভেলা সাজিয়ে ধানের  ক্ষেত থেকে তুলে ডাঙ্গায় তোলা খুবকষ্ট সাধ্য।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, ডিমলা উপজেলায় বোরো মৌসুমে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছর এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমানের বোরো ধান চাষ হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সেকেন্দার আলী বলেন, বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে শ্রমিক সংকট দেখা হওয়ায়  অনেক উচু এলাকার কৃষকেরা আধুনিক যন্ত্রপাতি হারভেস্টার ব্যবহার করে ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছে।