শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে আসে:মিজু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি-১৯৮১ সালের ১৭ই মে ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনায় ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং তিনি নেতৃত্ব দিয়ে আওয়ামীকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে নিয়ে যান।

আজ ১৭ মে ২০২২ মঙ্গলবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান জননেতা মিজানুর রহমান মিজু উপরোক্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ৭৫’র হত্যাকান্ডের সময় জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ্য কন্যা শেখ হাসিনা এবং কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহেনা। ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে দেশরত্ন শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দেশের গণতন্ত্র আর প্রগতিশীল রাজনীতির ধারাকে ফিরিয়ে আনতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। দেশের মাটিতে পা রেখে আপ্লুত নয়নে বেদনাতুর হৃদয়ে তিনি বলেছিলেন—“সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, আমার আর হারাবার কিছু নেই। আপনাদের মাঝেই সবকিছু খুঁজে পেতে চাই।” বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে গনতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলার সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ফিরে পায় অতীত ঐতিহ্য।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের উন্নয়নে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকার। উন্নয়নের ধারাকে চলমান রাখতে শেখ হাসিনার সরকার কে টানা তিনবার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রাখে বাংলার জনগন। বাংলাদেশ এখন একটি উন্নয়নশীল দেশ।

সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি জননেতা এম. এ জলিল। আরো বক্তব্য রাখেন কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ ওবায়দুল হক, আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরকার, বাংলাদেশ কংগ্রেস চেয়ারম্যান এডভোকেট কাজী রেজাউল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ (বাকশা) এর মহাসচিব কাজী মুহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম, বাংলাদেশ কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান দেশ, লোক শক্তি পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ টিটো, বাংলাদেশ মানবতাবাদী পার্টির চেয়ারম্যান মুফতি আবদুল মাজিদ, বাংলাদেশ ইসলামিক গণতান্ত্রিক লীগের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। আরো উপস্থিত থাকবেন জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির যুগ্ম সম্পাদক সি এম মানিক, ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা উত্তরের সভাপতি ডি কে লালা সহ পার্টির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।