বালাসিতে ফেরিঘাটের নামে গাইবান্ধার মানুষের সাথে ভাওতাবাজি করা হয়েছে

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ ফুলছড়ির বালাসিতে ফেরিঘাট বাস্তবায়নের নামে গাইবান্ধার মানুষের সাথে ভাওতাবাজি করা হয়েছে। বালাসি-বাহাদুরাবাদ ফেরি সার্ভিস চালুর জন্য ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু জনগণকে ধোকা দিয়ে ফেরির পরিবর্তে চালু করা হয়েছে ফিটনেসবিহীন লঞ্চ। ফলে আশাহত হয়েছে গাইবান্ধার মানুষ, তাদের মনে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব অভিযোগ করেন বক্তারা। শনিবার বিকেলে বালাসিতে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চের আহ্বায়ক ও জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন এলাকাবাসীর পক্ষে আকবর আলী সরদার, গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবীর, সমাজকর্মী গোলাম রব্বানী মুসা, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রোকনউদ্দৌলা, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কবির রানা, সাঁকোয়া ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চের সদস্য সচিব অ্যাড. কুশলাশীষ চক্রবর্তী সাগর, নাগরিক মঞ্চের সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তী, শহিদুল ইসলাম, মৃনাল কান্তি বর্মন, অঞ্জলী রাণী দেবী, হাসান মোর্শেদ দীপন প্রমুখ।
বালাসি-বাহাদুরাবাদ ফেরি সার্ভিস চালুর নামে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় ও লুটপাটের সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করে সমাবেশে বক্তারা বলেন, নদী ড্রেজিংয়ের নামে বালু উত্তোলন করে একটি চিহ্নিত মহল লাভবান হয়েছে। বক্তারা গাইবান্ধায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ওমেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠাসহ দ্রুত টানেল নির্মাণ ও সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় ইপিজিড নির্মাণের দাবি জানান। সমাবেশ পরিচালনা করেন অ্যাড. ফারুক কবির।