বগুড়া ওয়াইএমসিএ’র ডিজিটাল ল্যাবে পালন হলো শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকায় ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় লেখক খ্যাতিমান দার্শনিক ও নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে পরিবারের নতুন সদস্যের নাম রাখেন ‘রাসেল’। দুরন্ত প্রাণবন্ত শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক। সেই ভয়াল কালরাত্রে ১৯৭৫ সালে ঘাতকের বুলেট কেড়ে নিয়ে ছিল শিশু রাসেলের প্রাণ। শিশু রাসেল বঙ্গবন্ধুর কোলে বসে দেশের মানুষের প্রতি ভালবাসা দেখেছেন। দেখেছেন বঙ্গবন্ধুর মমত্ববোধ মানুষের প্রতি। আর সেভাবে তাকে কোলেপীঠে করে মানুষ করে গড়ে তুলতে ছিলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সেই রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন পালন করা হচ্ছে। সে যদি বেঁচে থাকতো তাহলে এদেশের মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেত। গত মঙ্গলবার বগুড়া ওয়াইএমসিএ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে রাসেলের শৈশবকালের কিছু স্মৃতি প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের নিকট প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শন শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রবার্ট রবিন মারান্ডী শেখ রাসেল সম্পর্কে বলেন, ১১ বছরের শিশু রাসেল প্রতিদিনের মতো সেদিনও ঘুমিয়ে ছিল। আকস্মিক গুলির শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। বেগম মুজিব আদরের দুলাল রাসেলকে রক্ষার জন্য কাজের লোকসহ পেছনের দরজা দিয়ে চলে যেতে বলেন। গেট দিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় ঘাতকেরা তাকে আটক করে। এ সময় বাড়ির ভেতরে মুহুর্মুহু বুলেটের শব্দ আর আর্তচিৎকার শুনে অবুঝ শিশু রাসেল কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘাতকদের বলেছিল, ‘আমি মায়ের কাছে যাব।’ কিন্তু মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাসেলকেও গুলি করে হত্যা করে, ইতিহাসের ঘৃণ্যতম এই ঘাতকেরা। শেষে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।