গাবতলীতে ছাত্রলীগ নেতাকে আটকের ২ঘন্টা পর ছেড়ে দিলো পুলিশ

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি : গর্ভবতী এক মহিলা ও তার স্বামীসহ তিনবছরের শিশু সন্তানকে মারপিটের অভিযোগে বগুড়া গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিউবাবুকে আটকের ২ঘন্টা পর ছেড়ে দিলো পুলিশ।
জানা গেছে, গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নের বিলসরোলিয়া গ্রামের আবুল মন্ডলের ছেলে হারুনের সাথে একই গ্রামের প্রবাসী মহিদুল ইসলামের স্ত্রী শিল্পী বেগমের টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে গত ১৯অক্টোবর সকালে স্থানীয়ভাবে সালিশী বৈঠক চলাকালে আ: মালেক মন্ডল মালুর ছেলে মিনারুলকে মারপিট করে নেপালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিউবাবু ও তার লোকজন। ঘটনার পরেরদিন সকালে ছাত্রলীগ নেতা নিউবাবু আবারো দ্বিতীয়বারের মতো মিনারুল ও তার গর্ভবতী স্ত্রী রোজিনা আকতার ও তিনবছরের শিশু সন্তানকে বেদমভাবে মারপিট করে। এ ঘটনায় মিনারুল ইসলাম বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা নিউবাবুসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে গাবতলী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগটির তদন্তের দায়িত্বভার পান মডেল থানার এসআই সোলাইমান আলী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে ছাত্রলীগ নেতা নিউবাবু। এরই এক পর্যায়ে গতকাল সন্ধ্যায় ছাত্রলীগ নেতা নিউবাবু মিনারুলের নানা গিয়াস উদ্দিন (৮০)কে মারপিট করে। এতে ফুসে উঠে গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে এসআই সোলাইমান আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেপালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিউবাবুসহ তিনজনকে আটক করে থানা নিয়ে আসে। আটককৃতরা হলো, কদমতলী টাইরপাড়া গ্রামের আ: সামাদের ছেলে ও নেপালতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিউবাবু, একই গ্রামের আতিক ও বিলসরোলিয়া গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে খোরশেদ। স্থানীয়রা জানায়, ইতিপূর্বে ছাত্রলীগ নেতা নিউবাবু সন্ন্যাসী প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় জরিমানা দিয়ে রক্ষা পায়। এ প্রসঙ্গে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোলাইমান আলী বলেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সামাল দিতে নিউবাবুসহ উভয়পক্ষের তিনজনকে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি মিমাংসা হওয়ায় রাতেই নিউবাবুসহ আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।