বিপদসীমার ৪ সেঃমিঃ ওপরে তিস্তার পানি

ডিমলা, নীলফামারী : ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। শনিবার ও ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০) সেন্টিমিটার। ৪ সেন্টিমিটার ওপরে।
এদিকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লইচ গেট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানান তিস্তা ব্যারাজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুরুজ্জামান। ইতোমধ্যে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে তিস্তাপাড়ের বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সূত্র মতে পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তাপারের নি¤œাঞ্চলের ২৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার রাত হতে শনিবার বিকেল ৪ টা পয্যন্ত উজানের পানি প্রবাহের চাপে ডিমলা উপজেলার খালিশাচাঁপানী ইউনিয়নের সুপরীটারী ছোটখাতা এলাকায় ৬শত ফিট একটি বালির ক্রস বাঁধ বিধ্বস্থ্য হয়ে ১ টি গ্রামের প্রায় ৪০ টি বাড়ীতে তিস্তার পানি প্রবেশ করেছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোডের বন্যা পূবাভাস সর্তকীকরন কেন্দ্র সূত্র মতে পাহাড়ি ঢল ও উজানের ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে শুক্রবার সকাল থেকে তিস্তা নদীতে ঢল নেমেছে। এদিকে পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার, গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের নি¤œাঞ্চলের গ্রাম ও নদীর চর প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোটখাতা, পশ্চিম বাইশপুকুর, পূর্ব বাইশপুকুর, কিসামত ছাতনাই, পূর্বছাতনাই ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর, বাঘেরচর, টাবুর চর, ভেন্ডাবাড়ী, ছাতুনামা, হলদিবাড়ী, একতারচর, ভাষানীর চর, কিসামতের চর, ছাতুনামাসহ চরগ্রামগুলো। তাই তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লইচ গেট ২৪ ঘন্টাই খুলে রাখা হচ্ছে।
অপরদিকের অপরিকল্পিত ভাবে খালিশা চাপানির ইউনিয়নের ছোটখাতার সুপরীটারী গ্রামের তিস্তা নদীতে বালির বাঁধ তৈরি করা হয়। শুক্রবার রাতে তিস্তার নদীর বালির বাধটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, তিস্তা নদীতে বাধটি নির্মিত করার নামে ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন নামে মাত্র কাজ করে সমুদয় টাকা আত্বসাৎ করেছে। ওই বাঁধ নির্মানের জন্য সংসদ সদস্যের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ১ লক্ষ, স্থানীয়দের নিকট ১ লক্ষ ৫০ হাজার ও খালিশা চাপানি ইউপিচেয়ারম্যান সামচুল হক হুদা সরকারি অংশের ১ লক্ষ টাকাসহ মোট সাড়ে ৩ লক্ষ টাকায় ওই বাধটি নির্মাণ করা হয়। ছোটখাতা গ্রামের তফর উদ্দিনের ছেলে বাবুট ইসলাম, আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে রানা (২৫)সহ এলাকাবাসী জানায়, নামে মাত্র তরিঘরি করে বালি দিয়ে বাধটির কাজ করে ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন সমুদয় টাকা আত্বসাৎ করে। খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছোটখাতা গ্রামের সুপরীটারীর বাসিন্দা ১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি সামচুল হক জানায়, টাকা আত্বসাধ করার জন্য ইউপি সদস্য নামে মাত্র কাজ করে তিস্তা নদীতে বালুর বাঁধ করেছে। খালিশা চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান সামচুল হক হুদা জানায়, ইউপি সদস্য কীভাবে টাকা উত্তোলন করেছে আমার জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল কমি জানান, বন্যা কবলিত এলাকায় সার্বক্ষনিক নজর রাখার জন্য ইউপি চেয়ারম্যাদের বলা হয়েছে। নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য মুৎিকযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, অধিবেশনের কারণে ঢাকায় রয়েছেন। তবে এলাকার লোকজনের যেন কোনো সমস্যা না হয়। সে জন্য তারপক্ষ হতে বন্যাকবলিত এলাকায় পরিদর্শন টিম পাঠানো হয়েছে।

বিপদসীমার ৪ সেঃমিঃ ওপরে তিস্তার পানি
ডিমলা, নীলফামারী : ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। শনিবার ও ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০) সেন্টিমিটার। ৪ সেন্টিমিটার ওপরে।
এদিকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লইচ গেট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানান তিস্তা ব্যারাজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুরুজ্জামান। ইতোমধ্যে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে তিস্তাপাড়ের বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সূত্র মতে পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তাপারের নি¤œাঞ্চলের ২৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার রাত হতে শনিবার বিকেল ৪ টা পয্যন্ত উজানের পানি প্রবাহের চাপে ডিমলা উপজেলার খালিশাচাঁপানী ইউনিয়নের সুপরীটারী ছোটখাতা এলাকায় ৬শত ফিট একটি বালির ক্রস বাঁধ বিধ্বস্থ্য হয়ে ১ টি গ্রামের প্রায় ৪০ টি বাড়ীতে তিস্তার পানি প্রবেশ করেছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোডের বন্যা পূবাভাস সর্তকীকরন কেন্দ্র সূত্র মতে পাহাড়ি ঢল ও উজানের ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে শুক্রবার সকাল থেকে তিস্তা নদীতে ঢল নেমেছে। এদিকে পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার, গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের নি¤œাঞ্চলের গ্রাম ও নদীর চর প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোটখাতা, পশ্চিম বাইশপুকুর, পূর্ব বাইশপুকুর, কিসামত ছাতনাই, পূর্বছাতনাই ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর, বাঘেরচর, টাবুর চর, ভেন্ডাবাড়ী, ছাতুনামা, হলদিবাড়ী, একতারচর, ভাষানীর চর, কিসামতের চর, ছাতুনামাসহ চরগ্রামগুলো। তাই তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লইচ গেট ২৪ ঘন্টাই খুলে রাখা হচ্ছে।
অপরদিকের অপরিকল্পিত ভাবে খালিশা চাপানির ইউনিয়নের ছোটখাতার সুপরীটারী গ্রামের তিস্তা নদীতে বালির বাঁধ তৈরি করা হয়। শুক্রবার রাতে তিস্তার নদীর বালির বাধটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, তিস্তা নদীতে বাধটি নির্মিত করার নামে ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন নামে মাত্র কাজ করে সমুদয় টাকা আত্বসাৎ করেছে। ওই বাঁধ নির্মানের জন্য সংসদ সদস্যের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ১ লক্ষ, স্থানীয়দের নিকট ১ লক্ষ ৫০ হাজার ও খালিশা চাপানি ইউপিচেয়ারম্যান সামচুল হক হুদা সরকারি অংশের ১ লক্ষ টাকাসহ মোট সাড়ে ৩ লক্ষ টাকায় ওই বাধটি নির্মাণ করা হয়। ছোটখাতা গ্রামের তফর উদ্দিনের ছেলে বাবুট ইসলাম, আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে রানা (২৫)সহ এলাকাবাসী জানায়, নামে মাত্র তরিঘরি করে বালি দিয়ে বাধটির কাজ করে ইউপি সদস্য তফেল উদ্দিন সমুদয় টাকা আত্বসাৎ করে। খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছোটখাতা গ্রামের সুপরীটারীর বাসিন্দা ১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি সামচুল হক জানায়, টাকা আত্বসাধ করার জন্য ইউপি সদস্য নামে মাত্র কাজ করে তিস্তা নদীতে বালুর বাঁধ করেছে। খালিশা চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান সামচুল হক হুদা জানায়, ইউপি সদস্য কীভাবে টাকা উত্তোলন করেছে আমার জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল কমি জানান, বন্যা কবলিত এলাকায় সার্বক্ষনিক নজর রাখার জন্য ইউপি চেয়ারম্যাদের বলা হয়েছে। নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য মুৎিকযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, অধিবেশনের কারণে ঢাকায় রয়েছেন। তবে এলাকার লোকজনের যেন কোনো সমস্যা না হয়। সে জন্য তারপক্ষ হতে বন্যাকবলিত এলাকায় পরিদর্শন টিম পাঠানো হয়েছে।