মালিকের গাফিলতিতেই মেঘনায় যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবি

ভােলা প্রতনিধিি : ভোলার মনপুরার মেঘনায় ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে ট্রলার মালিক ও ঘাট ইজারাদারের গাফিলতির কারণেই বলে অভিযোগ করছেন ট্রলারটির যাত্রীরা। আটককৃত চালকের সহকারীও পুলিশের কাছে স্বীকার করলো এই অভিযোগ। এই অভিযোগকে ভিত্তি করে পুলিশ বাদী হয়ে এরইমধ্যে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আর এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামীদেরকে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হলেও, নিখোঁজ রয়েছেন আরো ২ জন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতেই বারবারই ডুকরে কেঁদে উঠছেন নুরুন নাহার। নদীর স্রোতে স্বামী ও এক ছেলের লাশ পাওয়া গেলেও এখনো নিখোঁজ আরো এক ছেলে। যাত্রীদের অভিযোগ, ট্রলার মালিকের অবহেলা ও গাফিলতির কারণেই ঘটেছে এমন দুর্ঘটনা। স্বজনহারাদের অভিযোগ, ট্রলার মালিকের অবহেলা ও গাফিলতিতেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ট্রলার চালকের সহকারী মো. সুমন জানায়, মালিককে দু’দিন আগেই সর্তক করেছিলাম এই ট্রলারে লোক উঠানো যাবে না। কিন্তু মালিক শোনেননি। মনপুরা থানার অফিস ইনচার্জ হানিফ সিকদার বলেন, ‘ট্রলারের মালিক ও মাঝি একই ব্যক্তি। এ দুর্ঘটনার পিছনে যে বা যাঁরা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এরইমধ্যে ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায়, দোষীদের সর্বোচ্চ বিচারের দাবি করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। মনপুরা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ছালাউদ্দিন হেলাল জানান, ‘এ ঘটনার জন্য যেই দায়ী হোক না কেন তার বিচার দাবি করছি।’ বৃহ¯পতিবার কলাতলীর চর আবাসন ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে রামনেওয়াজের কাটারখাল ঘাট আসার পথে ডুবে যায় শতাধিক যাত্রীবাহী ট্রলারটি।