কুমারি বিথী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিচারের আশায় এখন মাতাব্বরদের দুয়ারে

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের খামার মনিরাম গ্রামের হত দরিদ্র আবু বক্করের কন্যা মল্লিকজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনির ছাত্রী কুমারি বিথী আক্তার ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে বর্তমানে বিথী মাতাব্বরদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। লম্পট ছফুর উদ্দিনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসি সোচ্চার হয়ে উঠেছে। তবে সে এখন গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে রয়েছে।সরেজমিন ঘুরে ফিরে এলাকাবাসি ও বিথীর নিকট হতে জানা গেছে, দারিদ্রতার কষাঘাতে বিথী আক্তার স্কুলে লেখা পড়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী ফয়জার রহমানের ছেলে ৪ সন্তানের জনক লম্পট ছবুর উদ্দিনের বাড়িতে মাঝে মাঝে ঝি-এর কাজ করতে যেত। সরলতার সুযোগ নিয়ে ছফুর উদ্দিন দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস পূর্বে বিথীর সাথে কয়েক দিন বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। এতে করে বিথী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি ছফুর উদ্দিন জানার পর গর্ভের সন্তান নষ্ট করার পায়তারা চালায়। কিন্তু বিথীর বয়স কম হওয়ায় সন্তান নষ্ট করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন থেকে বিথীর পরিবারকে লম্পট ছফুর উদ্দিন আশার বানি শুনিয়ে আসছে। এমনকি ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য বিথী ও তার পরিবারকে হুমকী দিয়ে আসছে। বর্তমানে ছফুর উদ্দিন গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। হতদরিদ্র বিথীর পরিবার বর্তমানে নিরুপায় হয়ে পিতৃ পরিচয়ের দাবি নিয়ে এবং সুষ্ঠু বিচারের আশায় মাতাব্বরদের দারে দারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিথী তার এই অনাগত সন্তানের জন্য ছফুর উদ্দিনকে দায়ী করে তার নিকট বিবাহ বন্ধনের আবদ্ধ হওয়াসহ সুষ্ঠু বিচারের দাবী করছেন। এলাকাবাসি জানান, আমরা সামাজিকভাবে ছফুর উদ্দিনের যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়েছি। বিথীর বাবা আবু বক্কর তার মেয়ের সুষ্ঠু বিচারের জন্য মানবাধিকার কমিশনসহ প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। থানায় মামলা করার মত সামর্থ না থাকায় বিথীর পরিবার এখানো মামলা করেনি।