চুলের যত্নে স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বক মালিশ করা অত্যন্ত উপকারী

চুলের যত্নে স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বক মালিশ করা অত্যন্ত উপকারী। যা রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুল সুন্দর করতে সাহায্য করে।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে মাথা মালিশের কিছু কৌশল উল্লেখ করা হয়।

শ্যাম্পু করার আগে তেল মালিশ

গোসলে যাওয়ার আগে মাথার ত্বক মালিশ করা খুবই উপকারী। বিশেষ করে চুলে শ্যাম্পু করার আগে মাথার ত্বকে তেল মালিশ করা ভালো। অনেকেরই মাথা তৈলাক্ত হওয়ার সমস্যা থাকে। ফলে মাথার ত্বকে বেশি ময়লা জমতে পারে। সেক্ষেত্রে মাথায় তেল মালিশ করলে চুলের গোড়ায় জমে থাকা ময়লার উঠে আসবে।

ম্যাসাজের সময় নখ এড়িয়ে চলুন

শ্যাম্পু করার সময় মাথার ত্বক মালিশের ক্ষেত্রে অনেকে নখ দিয়ে মাথার ত্বক চুলকে থাকেন। এতে উল্টো আরও ক্ষতি হতে পারে। ত্বকে বেশি জোরে চুলকানোর ফলে জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। অন্যদিকে নখে জমে থাকা জীবাণু চুলের গোড়ায় লেগে সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে। তাই শ্যাম্পু করার সময় নখ এড়িয়ে আঙুল দিয়ে মাথার ত্বক মালিশ করা উচিত।

পুরো মাথার ত্বক মালিশ করা

পার্লারে গিয়ে শ্যাম্পু করানো দারুণ আরামদায়ক। কারণ এতে মাথার প্রতিটি অংশে সমানভাবে মালিশ করা হয়। তবে নিজের মাথায় মালিশ করার সময় প্রথমে ভেজা চুলে একটি কেন্দ্র নির্ধারণ করে সেখান থেকে শুরু করে পুরো মাথায় মালিশ করতে হবে। পুরো মাথায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে।

কেন্দ্র থেকে শুরু করে পুরো মাথা মালিশ করে আবারও একই জায়গায় এসে শেষ করতে হবে। ফলে পুরো মাথায় ভালোভাবে মালিশ করা হবে।

কপালের উপরের অংশে মালিশ করা

কপালের উপরের অংশে যেখান থেকে চুল শুরু হয়েছে, সেখানে তুলনামুলক বেশি ময়লা হয়। কারণ ঘাম এবং ত্বকের মেইকআপ চুলে লেগে আটকে থাকে। তাই মাথা মালিশের সময় এই অংশে বিশেষ মনোযোগ দিতে হয়। তাছাড়া কপালের উপরের অংশে মালিশের ফলে মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা দূর হয়। মাথায় রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।

এই পন্থায় কপালের উপরের অংশ থেকে শুরু করে মাথার দুপাশে ভালোভাবে মালিশ করতে হবে।