ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা বাড়ছে

ঢাকা : জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের ক্ষমতা বাড়িয়ে মোবাইল কোর্ট (সংশোধন) আইন ২০১৫-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে অপরাধী দোষ স্বীকার না করলেও সাক্ষী ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে শাস্তি দিতে পারবেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার মন্ত্রিসভায় এই আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। সকালে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে সভার সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।

মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, ভেটিং সাপেক্ষে মন্ত্রিসভা এই আইনের খসড়াটা অনুমোদন দিয়েছে। এতে নতুন করে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন, তিনি ওই সময় বিশেষজ্ঞর মতামত নিতে পারবেন। এই আইনের ফলে মোবাইল কোর্ট আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করার পর ২০০৯ সালে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন করা হয়। এরপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন থেকেই তাঁরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছিলেন। বিশেষ করে গত কয়েকটি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে এই দাবি তুলে ধরেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তথা জেলা প্রশাসকেরা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের দাবি অনুযায়ী সরকার আইনটি সংশোধন করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা বাড়াতে যাচ্ছে। সংসদে পাস হলেই এটা কার্যকর হবে।

এ ছাড়া আজকের সভায় বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৫-এর খসড়া ও পাট আইন ২০১৫-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।