অচিরেই তারেক রহমান দেশে ফিরবে-এমপি সিরাজ

বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, অচিরেই তারেক রহমান দেশে ফিরবে। আমরা বীরের বেশে তাকে দেশে আনতে চাই, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী দিনে আন্দোলন করতে হবে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে এই স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে হবে। তাহলেই তারেক রহমানের কারামুক্ত দিবস করা সফল হবে। তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃেত্ব শান্তিপূর্র্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের অবসন ঘটাতে হবে। তারেক রহমান বগুড়ার জন্য যা করেছে আমরা তার জন্য কিছূই করতে পারিনায়। তারেক রহমান বগুড়ার সন্তার তাই তিনি বগুড়ার জন্য যে উন্নয় করেছে বগুড়া বাসী কোন দিন তাকে ভুলবেনা। তারেক রহমানের অপেক্ষায় বগুড়াবাসী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ১২ তম কারা মুক্তি দিবস উপলক্ষে বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজিত বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া সদর উপজেলার গোকুলের চাঁদমুহা বন্দরে গরীব, অসহয় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ ও বাদ যোহর বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি উক্ত কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশে বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। বিএনপি জনগনের জন্য রাজনীতি করে তাই বিএনপির গরীব, অসহয় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ করতে চাইলে পুলিশ অনুমতি না দিয়ে ত্রাণ বিতরণে বাধা দেয়। কারণ তারা বিএনপিকে ভয় পায়। তারেক রহমান বিএনপি ভবিষ্যৎ কান্ডারী, সেই কারণে ক্ষমতাসীনরা তারেককে ভয় পায়। খালেদা জিয়া জনগণকে রাজপথে ডাকলে দেশে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হবে, সেই কারণে তারা খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে হয়রানির খড়গ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার শিকার। কারণ তিনিই গণতন্ত্রের প্রতীক এবং জনগণের নাগরিক ও বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতার পক্ষে প্রধান কন্ঠস্বর। পাশাপাশি দেশের যে কোন ক্রান্তিলগ্নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। উক্ত ত্রান বিতরণ ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম ও ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, লাভলী রহমান, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবর রহমান বকুল, এম আর ইসলাম স্বাধীন, কেএম খায়রুল বাশার, সহিদ উন নবী সালাম, শেখ তাহা উদ্দিন নাইন, তৌহিদুল আলম মামুন, এনামুল কাদের এনাম, মনিরুজ্জামান মনির। জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাড. সোলাইমান আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম রাসেল মামুন, জহুরুল আলম, নাজমা আক্তার, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আকরাম হোসেন, যুগ্ন-সরকার মুকুল, শ্রমিকদলের লিটন শেখ বাঘা, যুবদলনেতা আহসান হাবীব মমি, অতুল চন্দ্র, শাহনেওয়াস শাসন, সুজন,জুম্মন, সোহাগ, সৌরভ হাসান শিবলু প্রমূখ।