সান্তাহার পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান আশরাফুল ইসলাম মন্টু

আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা: আগামী ডিসেম্বর মাসে পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করে বগুড়ার সান্তাহার পৌরসভাসহ বেশ কয়েকটি পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এমন সংবাদ দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রচারিত হলে সান্তাহার পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চান আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামীলীগরে ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক পৌর আওয়ামীগের আহবায়ক, সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম মন্টু। নির্বাচনে প্রার্থী হতে তিনি নানা ভাবে কেন্দ্রের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন, এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন, করোনাকালে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে নানা মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন। আগাম গনসংযোগ ও প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি পৌরবাসীর দোয়া কামনা করে নিজের ছবি সম্বলিত পোষ্টার লাগিয়ে গোটা পৌর এলাকা ছাপিয়ে ফেলেছেন। ভোটারদের সমর্থন নিতে তিনি নিচেছন নানা কৌশল।
১৯৮৪ সাল থেকে শুরু করে দুঃসময়ে সকল উল্লেখ্য যোগ্য আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্বে দিয়েছে। ৯০ ইং সালের এরশাদ সরকার বিরোধী আন্দোলনে তার ভুমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ২০০১ ইং সালের বিএনপি, জামায়াত জোট সরকার পতন আন্দোলন তার নেতৃত্বে হয়েছিল। ২০০৪ ইং সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেডে হামলার প্রতিবাদে রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ র্কমসুচির সময় তার নেতৃত্বে সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনে সকল আন্তঃনগর ট্রেন বন্ধ করে রেল লাইনের উপর হাজার হাজার লোক নামিয়ে সমাবেশ করে রেলপথ অবরোধ করছিলেন। ১/১১ এর সময় সকল আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্বে দিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও প্রশাসন দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন। এছাড়াও এখন র্পযন্ত সকল প্রকার দলীয় কর্মসুচি ও বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্বে দিয়ে চলছেন। বর্তমান তিনি আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামীলীগরে ১নং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক। ২০১১ থেকে ২০১৬ ইং সাল পযর্ন্ত সফল ভাবে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাছাড়া তিনি সান্তাহার পৌর বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক, মিনি ট্রাক মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের সভাপতি, মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। এর আগে তিনি ছাত্রলীগ, যুবলীগের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্বে পালন করেছিলেন।
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশরাফুল ইসলাম মন্টু বলেন, স্থানীয় ভাবে দলীয় ফোরামে আমার প্রার্থীতার বিষয়টি উত্থাপন করেছি। নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতেই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তা উপস্থাপন করা হবে। আমি আশাবাদী যে নেতা-কর্মীরা সম্মিলিত ভাবেই আমাকে সমর্থন জানাবে। কারণ মূল দলসহ সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠন সমূহের সকল নেতা-কর্মীর সাথেই আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। এমনকি দলমত নির্বিশেষে পৌরসভার সকল মানুষের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সচরাচরই বিদ্যমান। যা অনেকের তুলনায় অনেকাংশে বেশিই বলে আমার বিশ্বাস। তাই মনে করি একই ভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিবেন নৌকার মাঝি হিসেবে। কারণ তিনি দল ও দেশের সকল ক্ষেত্রে যোগ্য কর্মীকে প্রাধান্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর উপযুক্ত করে গড়ে তোলায় উদ্যোগ নিয়েছেন। পরম করুণাময় আল¬াহ্ তায়ালা যতদিন আমাকে জীবিত রাখবেন, ততদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশ ও জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদশে ভিশন ২০৪১ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।