গ্রামীণ নারী ও কন্যাশিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা দাবি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: শনিবার সকালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কালুবাজারে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস-২০২০ উপলক্ষে কোভিড- ১৯ প্রাদুর্ভাবে গ্রামীণ নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এলআরডি’র সহযোগী সংগঠন পেভ’র উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাবতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবু হারেছ।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবতলী উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান রেকসোনা জালাল।অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহন করেন গাবতলী ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন,সাবেক সদস্য মনোয়ারা বেগম,গাবতলী ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি’র সভাপতি গোলাম রহমান,বগুড়া মিলেনিয়াম স্কলাসটিক স্কুল এন্ড কলেজ’র ছাত্রী কাজী ফাইজা যুন,উঞ্চুরখী দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ। সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান(সুপ্র)’র ক্যাম্পেইনার সাকিনা আক্তার সাকী দিবসের উপর সমাবেশে একটি অবস্থানপত্র উপস্থাপন করেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পেভ’র সম্পাদক কে জী এম ফারুক।

নারী সমাবেশে বলা হয়,কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও বিস্তার থেকে সুরক্ষায় খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত সকল গ্রামীণ নারী ও কন্যাশিশুর স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাঁদের ভূমি অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ক্ষমতায়ন ও সার্বিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আগামীর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য গ্রামীণ নারী ও কন্যাশিশুর উন্নয়ন অগ্রাধিকার দরকার। খাসজমিতে নারীর নিরঙ্কুশ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রাধিকার তালিকায় সক্ষম পুত্র সন্তানের শর্ত বাতিল করতে হবে। গ্রামীণ কৃষি সেবায় নারী কৃষকদের অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় নারী কৃষকদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে হবে।চলতি বছরের দীর্ঘস্থায়ী বন্যা,বর্ষা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে গ্রামীণ নারীর জীবনযাত্রায় দারুণ দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।আলোচকগণ বলেন,সহজশর্তে গ্রামীণ নারী কৃষকদেরকে কৃষিসংক্রান্ত সকল সরকারি সেবা, প্রযুক্তি সেবা, ভর্তুকি, কৃষিঋণ, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি পাওয়ার ক্ষেত্রে সুযোগ দিতে হবে। সারাদেশে নারী কৃষকদের তালিকা তৈরি করে তা প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।নারী কৃষকদেরকে সমবায়ে অন্তর্ভূক্ত করা প্রয়োজন। আধাবেলার এই অনুষ্ঠানে দেড়শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহন করে।