মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতেই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়-মজিবর রহমান মজনু

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা ৭৫’র ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর জাতিকে নেতৃত্ব শূন্য করতেই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও জেলখানায় হত্যার কোন নজির নেই। অথচ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের অগ্রদূত জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে কারাগারে হত্যা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ এবং লালন করাই ছিল তাদের অপরাধ। তারা কখনই আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধুর সাথে বেইমানি করেনি। শত প্রলোভন দিয়েও তাদেরকে আদর্শচ্যুত করা যায়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতেই এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে টেম্পল রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু। বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মকবুল হোসেন, টি জামান নিকেতা, এড. আব্দুল মতিন, এড. মকবুল হোসেন মুকুল, মঞ্জুরুল আলম মোহন, আসাদুর রহমান দুলু, সাগর কুমার রায়, প্রদীপ কুমার রায়, শাহরিয়ার আরিফ ওপেল, এড. তবিবর রহমান তবি, এড. জাকির হোসেন নবাব, সুলতান মাহমুদ খান রনি, শেরীন আনোয়ার জর্জিস, অধ্যক্ষ শাহাদৎ আলম ঝুনু, এস এম রুহুল মোমিন তারিক, এবিএম জহুরুল হক বুলবুল, এম এ বাছেদ, আবু সেলিম, মাশরাফী হিরো, আলরাজী জুয়েল, তপন চক্রবর্তী, আবু সুফিয়ান সফিক, মাফুজুল ইসলাম রাজ, অধ্যক্ষ খাদিজা খাতুন শেফালী, সুরাইয়া নিগার সুলতানা ডরথী, আব্দুস সালাম, আলমগীর বাদশা, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, সাজেদুর রহমান শাহীন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, এড. লাইজিন আরা লিনা, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, অসীম কুমার রায়, রাশেকুজ্জামান রাজন প্রমুখ। সভার শুরুতেই বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর আগে সকাল ৮টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং সকাল সোয়া ৮টায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ