বগুড়ায় অটোরিক্সা-ভ্যান মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার:অটোরিক্সা-ভ্যান চলাচলে বাধা দিয়ে লক্ষ লক্ষ জীবন বিপন্ন করা চলবে না পৌরসভা থেকে অটোরিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক এর ট্রেড লাইসেন্স প্রদান, অটোরিক্সা ভাংচুর, শ্রমিকদের শারীরিক-মানসিক নির্যাতন বন্ধ করা, রাস্তায় মোটরসাইকেলসহ গাড়ি পাকিং বন্ধ করা, ফুটপত দখলমুক্ত করাসহ ৫ দফা দাবিতে গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় , বনানীতে সমাবেশ শেষে পদযাত্রা করে কলোনি, ঠনঠনিয়া বাস স্ট্যান্ড ও মফিজ পাগলা মোড়ে পথসভা ও সাতমাথায় সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক আলহাজ্ব কবির হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা আব্দুল হাই এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা মাসুদ পারভেজ, আমিনুল ইসলাম, প্রভাষক রঞ্জন কুমার দে, শিক্ষানবীশ আইনজীবী দিলরুবা নূরী, অটোরিক্সা মালিক রাফিউল আলম সুমন, আবুল কাশেম, ফারুকুল ইসলাম মিন্টু, আরমান, শ্রমিক শাহাজাহান মোল্লা, নূরনবী, রুমেল প্রমূখ শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।বক্তাগণ বলেন, শহরের যানজট নিরশনের নামে প্রশাসন শহরের প্রানকেন্দ্রে অটোরিক্সা-ভ্যান ঢুকতে দিচ্ছে না। অথচ যানজটের জন্য দায়ী অপ্রতুল রাস্তা। এর পাশাপাশি শহরের অভিজান রেস্টুরেন্ট, বেসরকারি হাসপাতাল, ব্যাংক, শপিং মলের সামনে রাস্তা দখল করে মটর সাইকেল ও গাড়ি পাকিং করে রাখা হয়। ফুটপথগুলো ব্যবসায়ীদের দখলে। এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের কোন নজর নাই। তারা মিথ্যা অযুহাতে অটোরিক্সা- ভ্যানকে অবৈধ ঘোষণা করে কয়েক লক্ষ মানুষের জীবন অনিশ্চিত করে তুলেছে। এসব যানবাহন আমদানি করা, দেশের অভ্যান্তরে ক্রয়-বিক্রয়ে সরকারী কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তাহলে এসব রাস্তায় চালানো অবৈধ কেন তা বোধগম্য নয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের আইনকে সংশোধন করে ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর যে গেজেট প্রকাশ করে, তার ৬নং অনুছেদ এর ১৭ নং ধারা অনুযায়ী ভাড়ায় বা বাণিজ্যিক কাজে চালিত তিন চাকার যান্ত্রিক যানবাহনের ট্রেড লাইসেন্স পৌরসভা দিতে পারে। তারপরও বগুড়া পৌরসভা কেন সময় ক্ষেপন করছে? সরকারি উদ্যোগে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে অটোরিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক চালালোরা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স প্রদান সহ সংগ্রাম পরিষদের ৫ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আর সেই আন্দোলনে শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করার আহবান জানান।