গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচন করতে চাই টিটু

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল  ইউনিয়নের এক পরিচিত ও জনপ্রিয় নাম, উপজেলার রিশিকুল ইউপি আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও  ৯ নং ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত সদস্য, দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ মাহবুবুর রহমান টিটু।
  রিশিকুল ইউপির আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নৌকার পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণায় এগিয়ে আছেন  মোঃ মাহবুবুর রহমান টিটু।
 বর্তমান চেয়ারম্যান নিজের আঁখের গোছানোতে ব্যস্ত, ভিজিডি, ভিজিডির চাউল চুরি, বয়স্ক ভাতার, বিধবা ভাতাসহ প্রদানে উৎকোচ গ্রহন, চাকুরী দেয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে তিনি গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার হলেও তিনি তেমনভাবে উন্নয়ন করতে পারেন নি। তৃনমূলের নেতা কর্মী সমর্থকগন ক্ষেপে রয়েছেন ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেয়ার জন্য।
এদিকে করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত চলমান রেখেছেন রিশিকুল ইউপির বিভিন্ন এলাকায় নৌকার পক্ষে গনসংযোগ। রাজশাহী ১ আসনের এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের নির্দেশনায় করোনা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে হাজার হাজার মাস্ক বিতরণ এবং বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করছেন ও তরুণদের সর্বনাশা মাদক থেকে বিরত রেখে  খেলাধুলায় মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন তরুণদের হাতে মাহাবুবুর রহমান টিটু মেম্বার ।
উল্লেখ্য মহামারী করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে রিশিকুল ইউপিবাসী যখন ঘর বন্দি ছিলেন ঠিক সে সময় থেকে এ পর্যন্ত গরীব দুঃখী, ভ্যান চালক, শ্রমিক, নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী চাল, ডাল, আলু, তৈল সহ নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন যা  অব্যাহত রেখেছেন।
এছাড়াও রিশিকুল ইউপির ৯ নং ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা ঘাট সংস্কার, স্কুল মসজিদের আংশিক কাজ সম্পূর্ণ করাসহ অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে করোনার দুঃসময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। যার ফলে দিন যতই যাচ্ছে ততই যেনো দলমত নীর্বিশেষে ইউপিবাসীর কাছে ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মাহাবুবুর রহমান টিটুর জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার উপরের দিকে উঠছে। রিশিকুল ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,  টিটুর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে রিশিকুল ইউপিতে।
শুধু জনসেবায় নয় রিরিকুল ইউপির আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের  নেতা কর্মীদের নিয়ে দলকে শক্তিশালী ও  চাঙ্গা করতে গোদাগাড়ী উপজেলা ও রিশিকুল ইউপিতে দলীয় মিটিং মিছিলে হাজার হাজার  জনতা নিয়ে উপস্থিত হন মাহাবুবুর রহমান টিটু। রিশিকুল ইউপি আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীর অভিমতে আগামীতে  রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাহবুবুর রহমান টিটু একজন তরুণ ও যোগ্য নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ দিচ্ছেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন,   টিটু এই ওয়ার্ডে অনেক উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন। তাঁর দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার কারনেই এটা সম্ভব হয়েছে। তিনি  বলেন, অন্যের অর্থের দিকে টিটুর কোন নজর নাই। সামাজিক কাজগুলো তিনি নিঃস্বার্থ হিসেবে করে যাচ্ছেন।  বিয়ে থেকে শুরু করে অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানেও সাধ্যমত  সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি। সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে টিটু কোন ব্যক্তি খারাপ আচরন পাননি এবং সহযোগিতা চেয়ে পায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায় বলে জানান তিনি।   আগামী নির্বাচনে মাহবুবুর রহমান টিটুকে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবী জানান তিনি। একই মন্তব্য করেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কবীর হোসেন নয়ন, জনিসহ অনেকে। তারা আরও জানান, কার্ডধারী ৪ নারীর মাসে প্রত্যেকের ৩০ কেজি করে চাউল মাসে ১৬০ কেজি মোট ২৫ শ ৬০ চাউল আত্নসাৎ করেছিলেন ওই শহিদুল ইসলাম টুলু, কিন্তু বিষয়টি তৎকালীন গোদাগাড়ী  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুল ইসলাম সরকার ইউনিয়ন পরিষদের বিষয়টি ধরেছিলেন।  কার্ডধারী চার নারী হ হলেন- ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভানপুর গ্রামের জয়েন উদ্দিনের মেয়ে জাহানারা (কার্ড নম্বর-১৩৯), আনেস আলীর মেয়ে সামেনা বেগম (কার্ড নম্বর-১৪১), জনাব আলীর মেয়ে মরিয়ম (কার্ড নম্বর-১৩১) ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বলিধপাড়া গ্রামের জহিরের মেয়ে রঙিলা। ওই চার নারী নিকট ক্ষমা চেয়ে সুমদয় চাউল ফেরত দিয়ে রেহায় পেয়েছিলেন টুলু চেয়ারম্যান।
হুজরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ মতিউর রহমান বলেন, শহিদুল ইসলাম টুলু চেয়ারম্যান রিশিকুল আওয়ামীলীগকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। তিনি কুন্দলিয়া তালাইপাড়া গ্রামের মোঃ ফজলুর রহমানের  ছেলে মোঃ তাজেল হোসেনের নিকট হতে রিশিকুল ইউনিয়নের কাজীর চাকরি দেওয়ার নাম করে ৯ লাখ টাকা চুক্তি করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহন করেন। তিনি নিকাহ রেজিস্টার করে দেন নি টাকায় ফেরত দেন নি। টাকা ফেরত দেয়ার  জন্য স্থানীয় আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, বজলুর রহমান, মিরুল ইসলাম প্রমূখ ব্যক্তিবর্গর উপস্থিতিতে কয়েক দফা সময় নিয়ে ফেরত দিচ্ছেন না। তাদের মোবাইলও রিসিভ করছেন না বলে জানান তিনি।
এদিকে  জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য মাহবুবুর রহমান টিটু। তিনি পর পর দুইবার ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিশাল ভোটের ব্যবধানে। তিনি এখন জনগণের আশা আকাংখ্যার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
রিশিকুল ইউনিয়ন যুগলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান টিটু বলেন,
বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলু ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি করায় জনগন তার সাথে নেই। তিনি জনগন বিচ্ছিন্ন নেতা, জনগনকে সাথে নিয়ে কাজ করচ্ছি, দল চাইলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো ইসাল্লাহ।
 চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলুর অনিয়ম, দুর্নীতি বিষয়ে মোবাইলে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি  মোবাইল কেটে দেন।
এদিকে রিশিকুল ইউনিয়নের ভুক্তভোগি, সচেতন মহল,  ইউপির আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা কর্মীদের আওয়ামীলীগ দলের হাই কমান্ডারের কাছে  দাবি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন যেন  টিটু