বগুড়ায় তাকবির হত্যা মামলায় তিন আসামীকে কারাগারে প্রেরণ

স্টাফ রিপোর্টার:বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতা তাকবির ইসলাম খান হত্যা মামলায় তিন আসামীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আসামীরা হলেন জাহিদ হাসান, বিধান চন্দ্র মোহন্ত ও মো: নিশাদ। সোমবার দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিক এ আদেশ দেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক। গত ১১ মার্চ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস ও সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার রায় বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন আব্দুর রউফ ও তাকবীর ইসলাম। তারা সবাই মোটরসাইকেলযোগে যাচ্ছিলেন। তারা গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে সেখানে তাকবিরের মোটরসাইকেলের সঙ্গে আব্দুর রউফের সমর্থক জাহিদ হাসানের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক সময় জাহিদের পক্ষ নিয়ে এগিয়ে আসেন আব্দুর রউফ। ওই সময় সভাপতি তিতাস ও সাধারণ সম্পাদক অসীম তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার মিমাংসা করে দেন।ওইদিন সন্ধ্যায় তার সহযোগীদের নিয়ে শহরের সাতমাথায় আ.লীগের দলীয় কার্যালয় এলাকায় অবস্থান নেন। আব্দুর রউফ দলীয় কার্যালয়ে আসলেই তার ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাকবীরের। এ বিষয়টিও জানতে পারেন রউফ। তিনি সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে না এসে রাতে তার সহযোগীদের সঙ্গে সাতমাথায় আসেন। তখন মুখোমুখি হন আব্দুর রউফ ও তাকবীর। শুরু হয় তাদের বাকবিতন্ডা। একপর্যায়ে বাকবিতন্ডা রুপ নেয় সংঘর্ষের। ওই সময় আহত হন অন্তত দুই গ্রুপের ৯ জন। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন তাকবীর।পরে ১৬ মার্চ বিকেল ৩ টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।এর আগে ১৩ মার্চ তাকবিরের মা শহরের মালতিনগর দক্ষিণপাড়ার জহুরুল ইসলাম দুলালের স্ত্রী আফরোজা ইসলাম সদর থানায় ছাত্রলীগ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফকে প্রধান আসামি করে সাত জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। নামীয় অন্য আসামিরা হল জাহিদ হাসান, আনোয়ার হোসেন, মো. তারেক, বিধান চন্দ্র মোহন্ত, মো. নিশাদ ও মো. আরমান।

সর্বশেষ সংবাদ