গাবতলীতে দিনব্যাপী প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার গাবতলী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বাস্তবায়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় শনিবার স্থানীয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওনক জাহানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফি নেওয়াজ খান রবিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ গোপেশ চন্দ্র সরকার। উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ শাহ আলমের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সালাম ভূলন, ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা নাজিমুদ্দিন ও উপজেলা ডেইরী খামারী সমিতির সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঘোষ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মিলু, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মুক্তা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেকসেনা আক্তার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরিফ আহম্মেদ, পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমা আকতার, পৌর কাউন্সিলর হিরন পাইকার প্রমুখ। দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে ৫০টি স্টলের মধ্যে ৩টি ক্যাটাগরিতে যেমন-গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়া এবং পাখি ও প্রযুক্তি’র ৯জন খামারীকে বিশেষ পুরস্কৃত করা হয়। এই প্রদর্শনীর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল-প্রানীসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার সৃষ্টি করা, ক্ষুদ্র খামারী ও উদ্যোক্তাদের প্রতিকুল পরিবেশ মোকাবেলায় সক্ষমতা সৃষ্টি, বিজ্ঞান ভিত্তিক লালন-পালন কৌশল অবহিত করা, উন্নত জাতের পশু-পাখি পালনে আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা এবং জনসাধারণের জন্য নিরাপদ প্রাণীজ আমিষ সরবরাহ নিশ্চিত করা। সকাল ১১টায় প্রধান অতিথি ফিতা কেটে ও কবুতুর উড়িয়ে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকার অধিক বরাদ্দ দিয়ে প্রাণীসম্পদের উন্নয়ে কাজ করে যাচ্ছে। করোনাকালীন সময়ে সারাদেশের গবাদি গরু-ছাগল খামারী মালিকদেরকে প্রনোদনার নগদ অর্থ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষিত বেকার যুবকরা চাকুরীর আশায় বাড়ীতে বসে না থেকে উদ্যোক্তা হতে হবে। বাড়ীতেই গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি লালন-পালন করে স্বাবলম্বী হতে হবে।