সারিয়াকান্দিতে পৌরসভার কাজের মেশিন বন্ধ’

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দি পৌরসভার নামে উপজেলার পৌর হিন্দুকান্দি এলাকায় অবস্থিত বাঙ্গালী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন। ফলে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে নদী ও আবাদি জমির। এসব জমির ফসলের ক্ষতি ছাড়াও নদী বিলীন হয়ে যাচ্ছে ভূগর্ভে। এলাকাবাসী সরল মনে দেখেও না দেখার ভান করে ভয়ে নিরবে সংশ্লিষ্ট কৃর্তপক্ষের দিকে চেয়ে আছে।
সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায়, পৌরসভার উন্নয়ন কাজের একটা ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালুর উত্তোলন করার কথা শুনছি। শুরু থেকেই একাধিক মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে। পৌরসভার মেশিন বন্ধ হয়েছে, কিন্তু আবার নতুন করে একটা মেশিন সেটিং করে বালু উত্তোলন করছে। কে তুলতেছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে নাম প্রকাশ না করতে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কথা।
বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

বার বার আমাকে একটা প্রশ্নই করেন, সারিয়াকান্দিতে এত সাংবাদিক থাকতে আপনি কোনো অন্যায় অনিয়মের কথা তুলে ধরেন।
ভাই আমি কি বলবো, আমার জন্মে দোষ, আমার বাবার দোষ। আমার বাবা ছোটো বেলা থেকেই সাদাসিদে মানুষ ছিলেন,কেউ তাকে গালি দিলে তার সাথে তিনি প্রতিবাদ করতেন না। বাড়িতে প্রতিবেশীর সাথে কখনো কথা কাটাকাটি হলে আমাদেরকে ধমক দিতেন। এটা সারিয়াকান্দির এমন কোনো লোক নাই যে জানে না। আমার বাবার নাম মৃত, অছিমুদ্দিন। আমাকে বাবা-মা খুব ভালবাসতেন যার কারণে আমার পড়াশুনার সুভাগ্য হয়েছিলো। সামান্য পড়াশুনা আজিজুল হক কলেজ থেকে অর্থনীতি বিষয়ে মাস্টার্স। সাংবাদিকতা পেশা চলতেছে, প্রায় ৬ বছর। যাইহোক, বাবার দোষ দিলাম একারণেই বাবা শিক্ষিত করে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছি। কলম ধরার সাহস যুগিয়েছে। যার কারণে ন্যায়-অন্যায় চোখে পড়লে আমি আর চোখ বুজে থাকতে পারিনা। আর একজন সাংবাদিকের কাজ ন্যায়-অন্যায় জাতির সামনে তুলে ধরবে এটাই তো তাদের কাজ। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর, সবাই একটা প্রতিবেদন লিখবে, তা ঠিক না। একজন অন্যায় দেখেও লিখবে না, তাই বলে অন্যজন লিখবেনা তা হতে পারেনা। বিবেককে যে কাজে লাগাতে পারবে, সেই কাজ করবে। সাংবাদিকতার সংজ্ঞা অনেক বিশাল। তা লিখে শেষ করা যাবে না। শুধু আমার সকল বন্ধু, শুভাকাঙ্খীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই,যাদের ভালবাসা ও শক্তির মাধ্যমে লেখার সাহস পাই। স্বার্থলেভীদের স্বার্থের ব্যঘাত ঘটলে, তাদের জ্বলবেই। মিথ্যাবাদীরা মিথ্যা কথা বলবেই, অবশ্য মিথ্যাবাদীরা একদিন ধ্বংস হবেই।