ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রধরে বিয়ে: অবশেষে ছেলে মেয়ে থানায়

স্টাফ রিপোর্টার:ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রধরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় রাজিব ও মোহনা। বিয়ের ২৫ দিন পরে মোহনা স্বামীর রাজিবের বাড়িতে এলে তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে জানিয়ে ৯৯৯ এ ফোন দেয়। পুলিশ গিয়ে ছেলে মেয়ে দুজনকেই থানায় নিয়ে আসে।জানাযায়, ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রধরে এক বছর ধরে তাদের সম্পর্ক।গত ১৫ মে ২০২১ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় বগুড়া শহরের লতিফপুর কলোনী এলাকার আব্দুল কাইউমের ছেলে ইয়াহিনুর রহমান রাজিব ও নিশিন্দারা ওলির বাজার এলাকার মৃত নুর আলমের মেয়ে মোহনা বেগম। বিয়েতে দেন মোহরানা ধরা হয় ৭ লাখ টাকা।২৫ দিন আগে বিয়ে হলেও বৃহস্পতিবার (১০ জুন) মোহনা স্ত্রীর অধিকার চেয়ে স্বামী রাজিবের বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে জানিয়ে ৯৯৯ এ ফোন দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মোহনাকে রাজিবের বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে উভয়ের সাথে কথাবলে রাজিব ও মোহনাকে থানায় নিয়ে আসে।ঘটনাস্থলে আসা এসআই সাজ্জাদ জানান, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। এসে মেয়ে ও ছেলের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রধরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে তারা। বিয়ের পর উভয়েই নিজেদের অথীত সম্পর্কে জানতে পারে।পরে রাজিব ও মোহনাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি জানান, মেয়ে মোহনার এর আগেও দুটি বিয়ে হয়েছিলো। এক স্বামীর সাথে সে সংসার করেছে। আর রাজিব ও বিবাহিত।মোহনা জানায়, এক বছর ধরে তাদের সম্পর্ক। এর আগেও তার একটি বিয়ে হয়েছিলো। সেই পক্ষের বাচ্চাও আছে। আজ স্ত্রীর অধিকারের জন্য অবস্থান নিয়েছিলাম।তিনি বলেন, রাজিব আমার সম্পর্কে সবকিছু জেনেই সম্পর্ক গড়েছে। এখন এসে আমাকে নিয়ে তালবাহানা করছে।রাজিবের বাবা আব্দুল কাইউম বলেন, মোহনা তার ছেলে রাজিবকে জোরকরে নিয়েগিয়ে বিয়ে করেছে। তাকে মারপিট বা নির্যাতনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর শাহিনুর বেগম সানু জানান, খবর পেয়ে ছেলে রাজিবের বাসায় এসে মেয়ে মোহনাকে ঘরে বসে থাকতে দেখেছি। মোহনা তাকে মারপিটের কথা বললেও আমি তাকে নির্যাতন বা মারপিটের কিছুই পাইনি।সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, আলোচনা করে একটা সমাধানের জন্য ছেলে মেয়ে ও তাদের পরিবারকে নিয়ে থানায় বসা হচ্ছে।