‘জয়যুগান্তর পত্রিকার অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান অনুকরণীয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক-বগুড়ায় অতিমারি করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদানের মাধ্যমে এগিয়ে এলো দৈনিক জয়যুগান্তর পত্রিকা। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে শহরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে এই সিলিন্ডার হস্তান্তর করা হয়।
এ কর্মসূচিতে প্রথম ধাপে পাঁচটি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বগুড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. জিয়াউল হক এই সিলিন্ডারগুলো গ্রহণ করেন। হস্তান্তরকালে তার সাথে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. নুরুজ্জামান সঞ্চয় উপস্থিত ছিলেন।
সিলিন্ডার গ্রহণকালে জেলা প্রশাসক মো. জিয়াউল হক বলেন, প্রাইভেট বা করপোরেট সেক্টর থেকে করোনা মোকাবেলায় এগিয়ে আসা অত্যন্ত প্রসংশনীয় ব্যাপার। আজকে জয়যুগান্তর পত্রিকা যে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল তা অবশ্যই অনুকরণীয়।
ডিসি বলেন, আমি আশা করছি এমন আরও একশ জয়যুগান্তর আছে বগুড়া শহরে, যারা ইচ্ছে করলেই এমন সহযোগিতা করতে পারে। এতে হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের যদি কোন সমস্যা থাকে তা সমাধান করা সম্ভব হবে।
অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তরে আরও ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুম আলী বেগ, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসআই) জেলা উপপরিচালক মামুনুর রশিদ, জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহীন, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আরএমও শফিক আমিন কাজল।
অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ‘দৈনিক জয়যুগান্তর পত্রিকা’র প্রকাশক ও সম্পাদক নাহিদুজ্জামান নিশাদ। এ সময় তিনি বলেন, করোনা সংকট এখন বৈশ্বিক সমস্যা। এই রোগে মানুষ সবচেয়ে বেশি অক্সিজেন সংকটে ভুগছে। সমাজের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এই অতিমারি মোকাবেলা করা অত্যন্ত কঠিন।
এমন লক্ষ্য নিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করার উদ্যোগ নেয়া বলে জানান নাহিদুজ্জামান নিশাদ। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে ৫টি সিলিন্ডার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আমরা আরও বিতরণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, ডা. বাবলুর রশিদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চল প্রধান হাসিবুর রহমান বিলু, ডা. রাসেল, ইউএনডিপির জেলা কর্মকর্তা মাসুদা ইসলাম, দৈনিক জয়যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এডিটর ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বগুড়া প্রতিনিধি খোরশেদ আলম।