গাবতলীতে গাছ চুরি ও ভেঙ্গে ফেলার ঘটনায় ৮জনের বিরুদ্ধে মামলা

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি-বগুড়ার গাবতলীতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তার দু’ধারে উপজেলা বন বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কাজে বাঁধা, মারপিট, গাছ চুরি ও রোপনকৃত চারা গাছ ভেঙ্গে ফেলার ঘটনায় ৮জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ দেল আবরার হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-০১।
মামলাসূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন কর্মকর্তা ও উপকারভোগী সদস্যদের সমন্বয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালনকালে গত ২৩জুলাই সকাল অনুমান সাড়ে ৯টায় উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের পেরীহাটের পূর্ব পাশে রাস্তার দুই ধারে বৃক্ষরোপন কার্যক্রম চলছিল। এ সময় স্থানীয় একদল স্বার্থান্বেষী মহল বৃক্ষরোপন কাজে বাঁধা প্রদান করে। এতে প্রতিবাদ করলে বাগবিতান্ডা হয়। একপর্যায়ে লোহার শাবল দিয়ে উপকারভোগী সদস্য আবুল কালাম আজাদকে মেরে ডান হাতের কবজি ও বাহুতে মারাত্মক জখম করে এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে বজলুর রহমানের শরীরের বিভিন্নস্থানে এলোপাতারীভাবে মারপিট করে। পরে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে আবারও গত ২৬জুলাই রাত ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে আসামীগণ ঘটনাস্থল হতে পূর্বে রোপনকৃত ২লাখ টাকা মূল্যের ১’শ টি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে চুরি করে নিয়ে যায় এবং ৩’শ টি রোপনকৃত চারা গাছ ভেঙ্গে ফেলে প্রায় ১লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ ঘটনায় উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ দেল আবরার হোসেন বাদী হয়ে গতকাল রবিবার (১লা আগষ্ট) ৮জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্ত হলো, পেরী গ্রামের মৃত নইমুদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদ (৫০), শহিদুল ইসলাম (৩০), মোস্তাফিজার রহমান (৪৫), ছহিদুদ্দিনের ছেলে হেলাল (৩৫), আব্দুল বারীর ছেলে আতাউর রহমান খোকন (৩০), হায়পত আলীর ছেলে আবু হারেজ (২৮), আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে রুহুল আমিন (২৩) এবং বেল্লাল হোসেনে ছেলে সাকিব (২০)। বিষয়টি থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।