বগুড়া মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মজনু সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার:বগুড়ায় ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ পরিচালনায় নতুন একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু। নিজেকে নবগঠিত মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান উল্লেখ করে বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘এখন থেকে ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে বগুড়ায় আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না।’ শহরের রহমাননগর এলাকায় ট্রাস্টের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।সংবাদ সম্মেলনে মজিবর রহমান মজনু ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’- এর নামে অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিরুদ্ধে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘এই বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর অনুমতি ছাড়া বগুড়াসহ দেশের কোথাও যদি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা করেন বা অপচেষ্টা চালান তাহলে সেগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করতে বলা হলো। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ মজিবর রহমান মজনু বগুড়ায় মুক্তিযোদ্ধা টেনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ভিন্নধর্মী যুগপযোগী ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৭ সালে জেলার প্রতিটি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি চির স্মরণীয় করে রাখার জন্য গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনার জন্য শুরুতে তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিনকে পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। তার মৃত্যুর পর আমাকে ওই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়।লিখিত বক্তব্যে মজিবর রহমান মজনু জানান, ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল এবং যুগপযোগী করার জন্য পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে চেয়ারম্যান করে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষা ট্রাস্ট বগুড়া-নামে একটি ট্রাস্টি বোর্ড (নিবন্ধন নম্বর-১৩৬১৭/২১) গঠন করা হয়। এখন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলো এই ট্রাস্টের আওতায় পরিচালিত হবে। তিনি জনসাধারণকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, কেউ যদি অনুমতিবিহীন অবৈধ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রতারিত হন তার জন্য মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষা ট্রাস্ট কোনভাবেই দায়ী থাকবে না।