চলনবিলে ভ্রমণপিপাসুদের উপচে পড়া ভিড়

এ এইচ খোকন চলনবিল প্রতিনিধিঃনাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিস্তৃত অংশ জুড়ে যে জলভূমি, বর্ষা এবং বর্ষা পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সেটাই বিখ্যাত চলনবিল।বর্ষায় কানায় কানায় পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে রূপের পসরা সাজিয়ে বসে। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলনবিল ভ্রমণের উপযুক্ত সময়।
এখনই চলনবিলে ঘুরে বেড়ানোর সময়। তাই করোনাকে উপেক্ষা করে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে সবাই যেন ছুটছে প্রাণের টানে চলনবিলের জলরাশিতে।
সরেজমিনে চলনবিল ঘুরে দেখা গেছে, ঐতিহাসিক চলনবিলের তাড়াশ, সিংড়া, গুরুদাসপুর, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রত্যন্ত বিলে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পড়ন্ত বিকেলে ভ্রমণ পিপাসু ভিড়।চলনবিলের মনোমুগ্ধকর মিষ্টি বাতাস, মেঘের ছুটে চলা ও পানির ওপর ঢেউয়ের দৃশ্য নজর কেড়েছে দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের। প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে চলনবিলের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন তারা।গুরুদাসপুর উপজেলার বিলসা বিলে, সিংড়ার ঘাসি দেওয়ান পীরের মাজার ও গুরুদাসপুরের খুবজীপুরের চলনবিল জাদুঘর পরিদর্শন, তাড়াশের কুন্দইল ব্রীজ এলাকায় ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা উৎসাহ উদ্দীপনায় যন্ত্রচালিত নৌকা অথবা স্পীডবোট নিয়ে ভ্রমণ করছেন।
এ ছাড়া চলনবিলের বুক চিড়ে বয়ে যাওয়া হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের ৯ নং ও ১০নং ব্রীজ এলাকায় বিলের সৌন্দর্য্য অবলীলায় দেখতে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা বলে জানান মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম বুলবুল৷তিনি আরো জানান, চলনবিল এলাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিনই হাজার হাজার আঞ্চলিক ও বহিরাগত ভ্রমণ পিপাসুরা ভিড় করেন।প্রতি ঈদেই দেখা দেয় উপচে পড়া ভীড় কোথায়ও একটু জায়গাও খালি থাকে না।চলনবিলে নৌকা ভ্রমন নিরাপদ করার প্রয়োজনে লাইফ সাপোর্ট জ্যাকেট রাখার প্রয়োজন মনে করেন সচেতন মহল।